ছাতকে বৈরী আবহাওয়া ও পরিবহন ধর্মঘটে যাত্রী দূর্ভোগ চরমে
- Update Time : ০৮:২৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ আগস্ট ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
চান মিয়া, ছাতক থেকে :: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৯আগষ্ট থেকে টানা চার দিনের ভারিবর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে যাত্রিরা সীমাহীন দূর্ভোগের শিকার হয়েছেন। শুক্রবার (১১আগষ্ট) বিকেল থেকে দূরপাল্লার বাস, মিনিবাস, অটোটেম্পু, অটোরিকশাসহ সব ধরণের যাত্রিবাহি যানবাহন জেলার অভ্যন্তরীণ সবগুলো সড়কে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে চলাচলকারী পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শুক্রবার বেলা আড়াইটায় এধর্মঘটের ডাক দেন। এদিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে পরিবহন ধর্মঘট আহবান করায় বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে হাজার হাজার যাত্রিরা গন্তব্যে পৌছতে চরম দূর্ভোগে পড়েন। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে উপজেলার ছাতক শহর, গোবিন্দগঞ্জ, ধারণ, জাউয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার যাত্রি মহিলা ও শিশু সন্তানসহ বৃষ্টিতে ভিজে পায়ে হেটে গন্তব্যে পৌছার চেষ্ঠা করছেন। তবে এক্ষেত্রে মহিলাদের দূর্গতি যেন সীমাহীন। ধর্মঘট উপো করে দুয়েকটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা রাস্তায় বের হলেও যাত্রীর উপচে পড়া ভিড়ে তারা দ্বিগুনের ও অধিক ভাড়া গুনছে। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘায়ের ন্যায় পরিস্থিতি। শনিবার (১২আগষ্ট) সকালে আব্দুল হক নামের এক যাত্রিী প্রতিবেদককে জানান, বৃষ্টি উপো করে সকাল থেকে ছাতক ট্রাফিক পয়েন্টে গাড়ির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার পর পরিবহন ধর্মঘটের প্রভাবে দুয়েকটি সিএনজি পেলে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়েও যাত্রিদের ভিড়ে সিট পাওয়া যায়নি। সুনামগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া এবং সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক জানান, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে সুনামগঞ্জ কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের বৈঠক ডাকা হয়। বৃহস্পতিবার (১০আগষ্ট) জেলা পরিষদ কর্তৃক টার্মিনালে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার নামে ‘সন্ত্রাসী হামলার’ প্রতিবাদে এ বৈঠক ডাকা হয়। ওইদিন বিকেলে পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবারের সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সুনামগঞ্জ কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালের ভেতরে মার্কেট নির্মাণ বন্ধকরণ, বাস টার্মিনালের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, টার্মিনালে প্রবেশ ও বের হবার সড়ক সংস্কার, বাস টার্মিনালে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ ও পুকুর ইজারা বন্ধ করে গাড়ী রাখার স্থান বৃদ্ধিকরণ, ভাংচুরকৃত কাউন্টার পূর্বের স্থানে পুনঃনির্মাণ ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার দাবি জানানো হয়।




























