০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে বসতঘরে অগ্নিকান্ড, তদন্তে আলামত নেই

  • Update Time : ০৩:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের পল্লীতে বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দায়েরী অভিযোগের তদন্ত করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার অভিযোগকারী উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের মজুমধারীচর গ্রামের রহিম খানের পুত্র সেলিম খানের বাড়িতে গিয়ে অভিযোগের তদন্ত করেন জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সোহেল রানা। অগ্নি সংযোগের অভিযোগ এনে রোববার সেলিম খান বাদী হয়ে ছাতক থানায় গ্রামের ফরিদ মিয়ার পুত্র দিলোয়ার হোসেনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন। স্থানীয় লোকজন জানান, গ্রামের সেলিম খান ও একই গ্রামের মৃত আলকাছ আলীর পুত্র ফরিদ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত ২ জুলাই উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে ছাতক থানায় পক্ষে-বিপক্ষে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় হাজিরা দিতে ঘটনার দিন শনিবার রাতে ফরিদ মিয়া পক্ষের লোকজন সুনামগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য মিথ্যা অগ্নি সংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় যে ঘরটিতে অগ্নি সংযোগের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ন অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। টিন সেডের এ ঘরটিতে রয়েছে বেশকিছু লাকড়ী। কয়েক টুকরা লাকড়ী আংশিক জ্বালানো অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। বসত ঘর ও মোরগ ভস্মিভুত হওয়ার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বিল্লাল আহমদ, আবুল কাশেম, আনিছ আলী, ইদ্রিছ আলী জানান, সম্প্রতি গ্রামে কোন অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য হুশিয়ার আলী জানান, গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অগ্নি সংযোগের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোহেল রানা জানান, বাদীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে বসতঘরে অগ্নিকান্ড, তদন্তে আলামত নেই

Update Time : ০৩:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের পল্লীতে বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দায়েরী অভিযোগের তদন্ত করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার অভিযোগকারী উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের মজুমধারীচর গ্রামের রহিম খানের পুত্র সেলিম খানের বাড়িতে গিয়ে অভিযোগের তদন্ত করেন জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সোহেল রানা। অগ্নি সংযোগের অভিযোগ এনে রোববার সেলিম খান বাদী হয়ে ছাতক থানায় গ্রামের ফরিদ মিয়ার পুত্র দিলোয়ার হোসেনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন। স্থানীয় লোকজন জানান, গ্রামের সেলিম খান ও একই গ্রামের মৃত আলকাছ আলীর পুত্র ফরিদ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত ২ জুলাই উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে ছাতক থানায় পক্ষে-বিপক্ষে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় হাজিরা দিতে ঘটনার দিন শনিবার রাতে ফরিদ মিয়া পক্ষের লোকজন সুনামগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য মিথ্যা অগ্নি সংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় যে ঘরটিতে অগ্নি সংযোগের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ন অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। টিন সেডের এ ঘরটিতে রয়েছে বেশকিছু লাকড়ী। কয়েক টুকরা লাকড়ী আংশিক জ্বালানো অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। বসত ঘর ও মোরগ ভস্মিভুত হওয়ার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বিল্লাল আহমদ, আবুল কাশেম, আনিছ আলী, ইদ্রিছ আলী জানান, সম্প্রতি গ্রামে কোন অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য হুশিয়ার আলী জানান, গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অগ্নি সংযোগের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোহেল রানা জানান, বাদীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ