০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে বন্যায় উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে

  • Update Time : ০৭:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে গত ক’ দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এখানের সুরমা পিয়াইন, চেলা নদীসহ সকল নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার ইসলামপুর,উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, নোয়ারাই,কালারুকা ও জাউয়াবাজার ইউনিয়নের বেশ কিছু অঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এ দিকে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এক গণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে সর্ব সাধারণের অবগতির জন্য বলা হয়েছে বন্যার পানি সুরমা নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র গুলোকে প্রস্তুত রাখার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কোন এলাকা প্লাবিত হলে নিকটস্থ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরের জামান চৌধুরী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের ফেইসবুক আইডি থেকে সকলের জ্ঞাতার্থে এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ জানান, ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যার পানি ঢুকেছে। তবে মানুষের ঘরবাড়িতে বন্যার পানি এখনো প্রবেশ করেনি। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিশাল বন্যার আশংকা করছেন তিনি। ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. সুফি আলম সুহেল ও নোয়ারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা জানান, সুরমাসহ নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে এখানে প্রবল আকারে বন্যা দেখা দিতে পারে। উপজেলার মধ্যে নোয়ারাই ও ইসলামপুর ইউনিয়ন হচ্ছে শাক- সবজি চাষের অঞ্চল। এ বন্যায় সবজি চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের চাপও এ ২ ইউনিয়নে বেশী বলে তারা জানান। গোবিন্দ গঞ্জ- সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুন্দর আলী জানিয়েছেন,বটেরখাল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরের জামান চৌধুরী জানান,সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীতে পানি আরো বেড়ে যাচ্ছে।ইতিমধ্যে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতিমুলক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মানুষদের সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে বন্যায় উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে

Update Time : ০৭:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে গত ক’ দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এখানের সুরমা পিয়াইন, চেলা নদীসহ সকল নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার ইসলামপুর,উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, নোয়ারাই,কালারুকা ও জাউয়াবাজার ইউনিয়নের বেশ কিছু অঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এ দিকে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এক গণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে সর্ব সাধারণের অবগতির জন্য বলা হয়েছে বন্যার পানি সুরমা নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র গুলোকে প্রস্তুত রাখার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কোন এলাকা প্লাবিত হলে নিকটস্থ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরের জামান চৌধুরী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের ফেইসবুক আইডি থেকে সকলের জ্ঞাতার্থে এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ জানান, ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যার পানি ঢুকেছে। তবে মানুষের ঘরবাড়িতে বন্যার পানি এখনো প্রবেশ করেনি। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিশাল বন্যার আশংকা করছেন তিনি। ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. সুফি আলম সুহেল ও নোয়ারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা জানান, সুরমাসহ নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে এখানে প্রবল আকারে বন্যা দেখা দিতে পারে। উপজেলার মধ্যে নোয়ারাই ও ইসলামপুর ইউনিয়ন হচ্ছে শাক- সবজি চাষের অঞ্চল। এ বন্যায় সবজি চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের চাপও এ ২ ইউনিয়নে বেশী বলে তারা জানান। গোবিন্দ গঞ্জ- সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুন্দর আলী জানিয়েছেন,বটেরখাল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরের জামান চৌধুরী জানান,সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীতে পানি আরো বেড়ে যাচ্ছে।ইতিমধ্যে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতিমুলক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মানুষদের সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ