০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে ফ্যানের সাথে ঝুলছিল নববধূর লাশ, শ্রীঘরে স্বামী

  • Update Time : ০২:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের ছাতকে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের বড় বিহাই গ্রামের স্বামীর বসত ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বাদ যোহর লাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়, গেল ৩ এপ্রিল উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার গ্রামের মৃত আমিরুল ইসলামের কন্যা রোকশানা বেগমের বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের বড় বিহাই গ্রামের সফর আলীর ছেলে দুবাই ফেরত আলী হোসেনের সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামী তার স্ত্রীকে মানসিক ভাবে কষ্ট দিয়ে আসছিল। বিয়েতে ফ্রিজ ও চুলা না দেওয়ায় স্ত্রীকে অপমান করতো তার স্বামী। বিষয়টি মা সহ স্বজনদেরও অবহিত করে আসছিল কন্যা রোকশানা। সংসার সুখের জন্য পরিবারের মা, ভাইয়ের কাছ থেকে স্বামীর জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা এনে দেয় সে। তার পরও যৌতুক লোভী স্বামীর মন রক্ষা করতে পারেনি স্ত্রী। বিয়ের সাড়ে তিন মাসের মাথায় বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছিল নববধূর লাশ। স্বামীসহ পরিবারের লোকজন এই অবস্থায় দেখে তাকে নামানোর চেষ্টা করেনি। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ওইদিন বিকেল ৪টার দিকে এসে লাশ নামায় এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এদিকে, বুধবার রাতে পুলিশ নববধূর স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের বড় বোন নাজমা বেগম বাদি হয়ে ৩০৬ ধারায় দায়েরি মামলার গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ মামলা দায়ের ও আসামিকে আদালতের প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে ফ্যানের সাথে ঝুলছিল নববধূর লাশ, শ্রীঘরে স্বামী

Update Time : ০২:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের ছাতকে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের বড় বিহাই গ্রামের স্বামীর বসত ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বাদ যোহর লাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়, গেল ৩ এপ্রিল উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার গ্রামের মৃত আমিরুল ইসলামের কন্যা রোকশানা বেগমের বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের বড় বিহাই গ্রামের সফর আলীর ছেলে দুবাই ফেরত আলী হোসেনের সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামী তার স্ত্রীকে মানসিক ভাবে কষ্ট দিয়ে আসছিল। বিয়েতে ফ্রিজ ও চুলা না দেওয়ায় স্ত্রীকে অপমান করতো তার স্বামী। বিষয়টি মা সহ স্বজনদেরও অবহিত করে আসছিল কন্যা রোকশানা। সংসার সুখের জন্য পরিবারের মা, ভাইয়ের কাছ থেকে স্বামীর জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা এনে দেয় সে। তার পরও যৌতুক লোভী স্বামীর মন রক্ষা করতে পারেনি স্ত্রী। বিয়ের সাড়ে তিন মাসের মাথায় বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছিল নববধূর লাশ। স্বামীসহ পরিবারের লোকজন এই অবস্থায় দেখে তাকে নামানোর চেষ্টা করেনি। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ওইদিন বিকেল ৪টার দিকে এসে লাশ নামায় এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এদিকে, বুধবার রাতে পুলিশ নববধূর স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের বড় বোন নাজমা বেগম বাদি হয়ে ৩০৬ ধারায় দায়েরি মামলার গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ মামলা দায়ের ও আসামিকে আদালতের প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ