ছাতকে নিটল কার্টিজ পেপার মিল কর্তৃক জমি জোর দখলের অভিযোগ
- Update Time : ০৬:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে নিটল-নিলয় কার্টিজ পেপার মিল কর্তৃক ফ্যাক্টরী নির্মাণের নামে সরকারি ও ভাসখালা গ্রামবাসীর ভুমি জোর দখল প্রক্রিয়া বন্ধ করতে গ্রামবাসী ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। রবিবার সকালে গ্রামের শামছু মিয়া,আবুস সাত্তার, বুরহান উদ্দিন, সাবেক কমিশনার সামছু মিয়া,আব্দুল মতিন, জাকির হোসেন,আব্দুল্লাহ মিয়া, রুপা মিয়া, সোহেল মিয়া,সমসর আলী, খালেদ হোসেন, আব্দুর রশিদ সহ লোকজন উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে গ্রামের ৫৭ জন লোকের স্বাক্ষর রয়েছে। (ডকেট নং ৯৫, তাং১৩.০২.২০২২) তারা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, বিসিআইসির প্রতিষ্ঠান সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিলটি ২০০৪ সালে শর্তসাপেক্ষে লিজ নেন নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমেদ। তিনি লিজের কোন শর্তই রক্ষা করেন নি। বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ তৎসময়ে তাদের অধিগ্রহণকৃত ভুমি নিটল-নিলয় গ্রুপকে বুঝিয়ে দেয় নি। মুল অধিগ্রহণের সময় ও গ্রামবাসীর কাছ থেকে সকল ভুমি বুঝে নেয় নি সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল। দীর্ঘদিনে অনেক ভুমি মালিকানা ভুমির সাথে একিভুত হয়ে পড়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ভুমি দখলে মাঠে নামে নিটল-নিলয়ের লোকজন। এ সময় গ্রামবাসীর বাঁধার মুখে পড়তে হয় তাদের। সৃষ্টি হয় তুমুল উত্তেজনাকর পরিস্থিতির। এ সময় ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জের মধ্যস্থতায় মিল কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসীর মধ্যে এক আলোচনা হয়। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় স্থানীয় সংসদ সদস্য,পৌরসভার মেয়র, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গ্রামবাসীর সাথে একটি বৈঠক করে এবং ভুমির সীমানা পরিমাপ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু নিটল-নিলয় কার্টিজ মিল কর্তৃপক্ষ এসব উপেক্ষা করে পরদিন থেকেই ওই ভুমিতে তাদের সকল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এক্সেভেটর দিয়ে চলছে মটি ভরাটের কাজ। এতে সরকারি ও গ্রামবাসীর অনেক ভুমি তারা জোর দখল করে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের চলমান কার্যক্রমে ভুমি দখল ছাড়াও ক্ষতি হচ্ছে স্কুল, মাদ্রাসা, মন্দির, মসজিদ, মসজিদের পুকুর, খেলার মাঠ ও কবরস্থানের। আবেদনকারিদের মধ্যে সামছু মিয়া জানান, মিল-কারখানা স্থাপিত হলে এলাকার উন্নতি হবে। তবে জোর করে মানুষের ভুমি নেয়া যাবেনা। পরিবেশ বজায় রেখে এবং স্কুল,মাদ্রাসা, মন্দির, মসজিদ পুকুর ও খেলার মাঠের ক্ষতি সাধন হলে গ্রাম ও এলাকাবাসীর ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সাবেক পৌর কাউন্সিলর আছাব মিয়া জানান, বিতর্কিত এইসব ভুমি নিয়ে উচ্চ আদালতের রীটে ভুমির শ্রেণী পরিবর্তন বা স্থাপনা নির্মাণে নিষেধের একটি আদেশ জারি রয়েছে। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান গ্রামবাসীর একটি অভিযোগ পেয়েছেন স্বীকার করে জানান,এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।




























