ছাতকে ক্লু লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, দু’জন গ্রেফতার
- Update Time : ০১:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে একটি ক্লু লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত দু’জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতার খসরু মিয়া উরফে তাজুল (৫৫) শহরের লেবারপাড়া (দক্ষিণ বাগবাড়ী) এলাকার মৃত রশিদ আলীর পুত্র। তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৪৫) কে ও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ছাতক থানা পুলিশ গত শনিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে লেবারপাড়া এলাকার ভাড়াটে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতার খসরু মিয়া উরফে তাজুলের মূল বাড়ী দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ (অনুমান) ১৪-১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের লেবারপাড়া (দক্ষিণ বাগবাড়ী) এলাকার একটি পুকুর পাড় সংলগ্ন হাজী বাবুল মিয়ার জমি থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। হত্যাকারীরা কিশোরকে হত্যা করে দাহ্য পদার্থ দিয়ে পুড়িয়ে লাশ বিকৃত করে পতিত জমিতে ফেলে দেয়। উদ্ধারকৃত এ লাশের পরিচয় না পাওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে সুনামগঞ্জে একটি সংস্থার মাধ্যমে লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় এসআই মাসুদ রানা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা (নং-০৬,তাং-০৪.০৩.২১) দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই আসাদুজ্জামানকে। দু’মাস তদন্তের পর তিনি এর কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেন নি। পরবর্তীতে ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান (পিপিএম) কে এ ক্লু লেস হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব নিয়ে এসআই হাবিবুর রহমান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শনিবার খসরু মিয়া উরফে তাজুল ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে গ্রেফতার করেন। তাদের গ্রেফতারের মাধ্যমেই এ হত্যাকান্ডের অনেক রহস্য বেড়িয়ে পড়ে। পাওয়া যায় অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয়। তাদের দেয়া আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে তারা এবং তাদের বসতঘরেই রাতে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা স্বীকার করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরো কিছু লোক জড়িত রয়েছে। হত্যার শিকার সাব্বির হোসেন (১৫) মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত স্বামী-স্ত্রী। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান (পিপিএম) জানান, আটক খসরু মিয়া উরফে তাজুল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ মামলায় ব্যাপক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি তদন্তের স্বার্থে হত্যাকাণ্ডের মূল বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেন নি। এ হত্যাকাণ্ডে আরো লোকজন জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।




























