১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে এক স্কুল ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

  • Update Time : ০৯:৪৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে জুম্মান আলী (১১) নামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষিবাউর গ্রামের কামরুল ইসলামের পুত্র ও স্থানীয় কাড়ইলগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। জানা যায়, রোববার বিকেলে লক্ষিবাউর গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে স্কুল ছাত্র জুম্মান আলীর সাথে একই এলাকার প্রতিবেশী নুর ইসলামের ছেলে নুর মিয়ার বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে জুম্মান আলীর টুকরো ইটের আঘাতে আহত হয় নুর মিয়া। এ ঘটনায় নুর মিয়ার বাবা কামরুল ইসলামের কাছে নালিশ করে। এসময় কামরুল ইসলাম নালিশ কারিকে শান্তনা দেন। ওইদিন রাত ৮টার দিকে কামরুল ইসলামের বাড়ীর পাশে একটি রাইস মিলের বাঁশের সাথে গলায় ওড়না পেঁছানো অবস্থায় জুম্মানকে পাওয়া যায়। বাড়ীর লোকজন জুম্মানকে রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা স্কুল ছাত্রকে হত্যা করে বাঁশের সাথে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, শিশুর মৃত্যু রহস্যজনক। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে। সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য শিশুর লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে এক স্কুল ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

Update Time : ০৯:৪৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে জুম্মান আলী (১১) নামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষিবাউর গ্রামের কামরুল ইসলামের পুত্র ও স্থানীয় কাড়ইলগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। জানা যায়, রোববার বিকেলে লক্ষিবাউর গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে স্কুল ছাত্র জুম্মান আলীর সাথে একই এলাকার প্রতিবেশী নুর ইসলামের ছেলে নুর মিয়ার বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে জুম্মান আলীর টুকরো ইটের আঘাতে আহত হয় নুর মিয়া। এ ঘটনায় নুর মিয়ার বাবা কামরুল ইসলামের কাছে নালিশ করে। এসময় কামরুল ইসলাম নালিশ কারিকে শান্তনা দেন। ওইদিন রাত ৮টার দিকে কামরুল ইসলামের বাড়ীর পাশে একটি রাইস মিলের বাঁশের সাথে গলায় ওড়না পেঁছানো অবস্থায় জুম্মানকে পাওয়া যায়। বাড়ীর লোকজন জুম্মানকে রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা স্কুল ছাত্রকে হত্যা করে বাঁশের সাথে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, শিশুর মৃত্যু রহস্যজনক। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে। সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য শিশুর লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ