০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে অনলাইন জুয়া জমজমাট সর্বশান্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও যুবকরা 

  • Update Time : ০৪:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ আগস্ট ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে ব্যাবসায়ী ও যুব সমাজ ধ্বংশ হচ্ছেন অন- লাইন জুয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিনই এ শহরে অন-লাইন জুয়ায় লক্ষ-লক্ষ টাকার বাজি হচ্ছে। এতে সর্বশান্ত হচ্ছেন অনেকেই। তবে মুল এজেন্ট হয়েছেন গাড়ি,বাড়ি ও সহায় সম্পদের মালিক।

শহরের বালিকা বিদ্যালয় রোডের জুবাইদুল নামের একজন এজেন্টের মাধ্যমে ছাতকে অন-লাইন জুয়ার শুরু হয়।ওই রোড়ে তার একটি চায়ের দোকান ছিলো। ওই দোকানে বসেই দেশ-বিদেশের ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার বাজি হতো। বর্তমানে চায়ের দোকানটি বন্ধ হলেও বাসায় বা আড়ালে থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন খেলায় লক্ষ-লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে।বাজি খেলায় ভেল্কি অ্যাপস নামের (Vellky.pro) একটি অ্যাপসও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এজেন্ট জুবাইদুলের মাধ্যমে এখানে একাউন্টও খুলতে হয় বাজিকদের।

দেশি- বিদেশি ক্রিকেট এবং ফুটবলেও অন-লাইন সাইড় খুলে কয়েন বিক্রি করেন জুবাইদুল।ভুক্তভোগীরা জানান,১ হাজার টাকায় ১০ কয়েন নিয়ে তারা ব্যাটিং সাইডে বাজি খেলেন। টাকার লেন- দেন হয় বিকাশ ও নগদ একাউন্টের মাধ্যমে। বিকাশ ও নগদের একাউন্ট নাম্বার ২টি এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। আলাপের জন্য একটি বিদেশি নাম্বার ব্যবহার করে হোয়াটসআপ খোলা হয়েছে। এজেন্ট এবং গ্রাহকদের গোপনীয় আলোচনা হয়ে থাকে এ হোয়াটসআপে। নাম্বারটি ও সংগ্রহে রয়েছে।

ছাতক শহরে এ বাজি খেলার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে জুবাইদুলের হাতে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়েই প্রতি নিয়ত ক্রিকেটের প্রতি ব্যাটে-ব্যাটে বাজি ধরা হচ্ছে। তাদের সাইডে ফুটবলে ও অনুরূপ জুয়ার বাজি হচ্ছে।

শহরের একাধিক বাসিন্দা জানান,আইপিএল,টি-টুয়েন্টি সহ ফুটবলে এ ধরনের অনলাইনে বাজি খেলা চলতে থাকলে এখানের যুব সমাজ ধ্বংশের পথে ধাবিত হবে। অচিরেই এর নাগাম টানা দরকার। তারা এ ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে অনলাইন জুয়া জমজমাট সর্বশান্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও যুবকরা 

Update Time : ০৪:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ আগস্ট ২০২৩

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে ব্যাবসায়ী ও যুব সমাজ ধ্বংশ হচ্ছেন অন- লাইন জুয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিনই এ শহরে অন-লাইন জুয়ায় লক্ষ-লক্ষ টাকার বাজি হচ্ছে। এতে সর্বশান্ত হচ্ছেন অনেকেই। তবে মুল এজেন্ট হয়েছেন গাড়ি,বাড়ি ও সহায় সম্পদের মালিক।

শহরের বালিকা বিদ্যালয় রোডের জুবাইদুল নামের একজন এজেন্টের মাধ্যমে ছাতকে অন-লাইন জুয়ার শুরু হয়।ওই রোড়ে তার একটি চায়ের দোকান ছিলো। ওই দোকানে বসেই দেশ-বিদেশের ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার বাজি হতো। বর্তমানে চায়ের দোকানটি বন্ধ হলেও বাসায় বা আড়ালে থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন খেলায় লক্ষ-লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে।বাজি খেলায় ভেল্কি অ্যাপস নামের (Vellky.pro) একটি অ্যাপসও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এজেন্ট জুবাইদুলের মাধ্যমে এখানে একাউন্টও খুলতে হয় বাজিকদের।

দেশি- বিদেশি ক্রিকেট এবং ফুটবলেও অন-লাইন সাইড় খুলে কয়েন বিক্রি করেন জুবাইদুল।ভুক্তভোগীরা জানান,১ হাজার টাকায় ১০ কয়েন নিয়ে তারা ব্যাটিং সাইডে বাজি খেলেন। টাকার লেন- দেন হয় বিকাশ ও নগদ একাউন্টের মাধ্যমে। বিকাশ ও নগদের একাউন্ট নাম্বার ২টি এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। আলাপের জন্য একটি বিদেশি নাম্বার ব্যবহার করে হোয়াটসআপ খোলা হয়েছে। এজেন্ট এবং গ্রাহকদের গোপনীয় আলোচনা হয়ে থাকে এ হোয়াটসআপে। নাম্বারটি ও সংগ্রহে রয়েছে।

ছাতক শহরে এ বাজি খেলার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে জুবাইদুলের হাতে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়েই প্রতি নিয়ত ক্রিকেটের প্রতি ব্যাটে-ব্যাটে বাজি ধরা হচ্ছে। তাদের সাইডে ফুটবলে ও অনুরূপ জুয়ার বাজি হচ্ছে।

শহরের একাধিক বাসিন্দা জানান,আইপিএল,টি-টুয়েন্টি সহ ফুটবলে এ ধরনের অনলাইনে বাজি খেলা চলতে থাকলে এখানের যুব সমাজ ধ্বংশের পথে ধাবিত হবে। অচিরেই এর নাগাম টানা দরকার। তারা এ ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ