১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুক্তি কী নিয়ে প্রকাশ করুন: বিএনপি

  • Update Time : ০৭:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী ৭ এপ্রিল চার দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সফরে যাওয়ার আগে ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি হবে সেগুলো জনগণকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনগণকে না জানিয়ে কোনো চুক্তি মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এ আহ্বান জানান।

ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর নিঃসন্দেহ গুরুত্বপূর্ণ। এ সফরেরর সময় দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে পত্রপত্রিকায় জল্পনাকল্পনা চলছে। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক সহযোগিতাসহ জ্বালানি, মহাকাশ, রেল তথ্যপ্রযুক্তি মিলে ২ ডজন চুক্তি ও সমঝোতা হবে।

তিনি আরো বলেন, চুক্তি করার আগেই এ বিষয়ে দেশের মানুষকে জানাতে হবে। জনগণকে উপেক্ষা করে কোনো চুক্তি মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, জনগণ এ চুক্তি সম্পকে এখন পযর্ন্ত অন্ধকারে। প্রতিরক্ষার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণের জানার অধিকার আছে। জনগণকে পাশ কাটিয়ে দেশের স্বাথ ও সার্বভৌমতত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি জনগন মেনে নিবে না।

তিনি আরো বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বেশ কিছু বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে। অভিন্ন নদীর পানি বন্টন, সীমান্ত, ট্রানজিট ও বাণিজ্য অন্যতম। সীমান্তে বাংলাদেশ নাগরিকদের ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে। তিস্তার পানি নিয়ে এখনো কোনো চুক্তি হচ্ছে না। এসব বাদ দিয়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন হচ্ছে জনগণ জানতে চায়।

ফখরুল আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সফরে যাওয়ার কয়েকদিন আগেও লালমনিরহাটে এক বাংলাদেশিকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। এসব নিয়ে সরকার কোনো কথা বলছে না।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরের সময় ২২টি চুক্তি ও সমোঝোতার বিষয় এখনো স্পষ্ট নয়। ৪০ বছর আগে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তি এতদিনেও ভারত বাস্তবায়ন করেনি।

বাংলাদেশ ভারত দুইদেশের মধ্য টেকসই সম্পর্ক চেয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার বদলায় কিন্তু জনগণ থাকে। একটি রাষ্ট্রের মূল চালিকা শক্তি জনগণ। তাই দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত যাতে সরকার পরিবতর্ন হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পক মজবুত থাকে। বিএনপি বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও আস্থাশীল সম্পর্ক দেখতে চায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মওদুদ অাহমেদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, অালতাফ হোসেন চৌধুরী, অাহমেদ অাজম চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

চুক্তি কী নিয়ে প্রকাশ করুন: বিএনপি

Update Time : ০৭:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী ৭ এপ্রিল চার দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সফরে যাওয়ার আগে ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি হবে সেগুলো জনগণকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনগণকে না জানিয়ে কোনো চুক্তি মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এ আহ্বান জানান।

ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর নিঃসন্দেহ গুরুত্বপূর্ণ। এ সফরেরর সময় দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে পত্রপত্রিকায় জল্পনাকল্পনা চলছে। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক সহযোগিতাসহ জ্বালানি, মহাকাশ, রেল তথ্যপ্রযুক্তি মিলে ২ ডজন চুক্তি ও সমঝোতা হবে।

তিনি আরো বলেন, চুক্তি করার আগেই এ বিষয়ে দেশের মানুষকে জানাতে হবে। জনগণকে উপেক্ষা করে কোনো চুক্তি মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, জনগণ এ চুক্তি সম্পকে এখন পযর্ন্ত অন্ধকারে। প্রতিরক্ষার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণের জানার অধিকার আছে। জনগণকে পাশ কাটিয়ে দেশের স্বাথ ও সার্বভৌমতত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি জনগন মেনে নিবে না।

তিনি আরো বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বেশ কিছু বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে। অভিন্ন নদীর পানি বন্টন, সীমান্ত, ট্রানজিট ও বাণিজ্য অন্যতম। সীমান্তে বাংলাদেশ নাগরিকদের ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে। তিস্তার পানি নিয়ে এখনো কোনো চুক্তি হচ্ছে না। এসব বাদ দিয়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন হচ্ছে জনগণ জানতে চায়।

ফখরুল আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সফরে যাওয়ার কয়েকদিন আগেও লালমনিরহাটে এক বাংলাদেশিকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। এসব নিয়ে সরকার কোনো কথা বলছে না।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরের সময় ২২টি চুক্তি ও সমোঝোতার বিষয় এখনো স্পষ্ট নয়। ৪০ বছর আগে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তি এতদিনেও ভারত বাস্তবায়ন করেনি।

বাংলাদেশ ভারত দুইদেশের মধ্য টেকসই সম্পর্ক চেয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার বদলায় কিন্তু জনগণ থাকে। একটি রাষ্ট্রের মূল চালিকা শক্তি জনগণ। তাই দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত যাতে সরকার পরিবতর্ন হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পক মজবুত থাকে। বিএনপি বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও আস্থাশীল সম্পর্ক দেখতে চায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মওদুদ অাহমেদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, অালতাফ হোসেন চৌধুরী, অাহমেদ অাজম চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ