ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ আঘাত হানবে মঙ্গলবার
- Update Time : ০১:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: ‘ফণি’, ‘আম্পান’, ‘ইয়াস’-এর পর এবার ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসছে। থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের অর্থ ‘পাতা’। আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, এমন শঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সিত্রাংয়ের গতিপথ কী হবে, তা নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য এখনও আসেনি। তবে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে পরবর্তী নির্দেশনা সাবধানতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তবে ভারতের আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হবে। প্রথমে এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হলেও পরে তার অভিমুখ হবে উত্তর দিক। সোমবারের (২৪ অক্টোবর) মধ্যে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, আর মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) নাগাদ বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়টি। কানাডার সাসক্যাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৩টার পর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন—‘আজ সন্ধ্যার পরে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য একটি আদর্শ পরিবেশে পৌঁছে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আর আগামীকাল সকালের মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। শনিবার দিন শেষে ডিপ্রেশনটি আরও সংগঠিত হয়ে পূর্ণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।’ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের পুরোটা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে, বিশেষ করে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সকল উপকূলীয় জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী জেলার উপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করার প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে বলেও লিখেছেন তিনি। সিত্রাংয়ের সম্ভাব্য বিপদ মোকাবিলায় বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এর অংশ হিসেবে ২২ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দিঘায় সমুদ্রে নামার ওপর জারি থাকছে নিষেধাজ্ঞা। পর্যটকদেরও এই বিষয়ে মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। এ ছাড়া উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ২৪ ও ২৫ অক্টোবর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।



















