০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়াইনঘাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, যুবলীগকে ধরে পুলিশ দিল জনতা

  • Update Time : ০৫:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত যুবলীগ নেতার নাম কবির আহমদ (৩৮)। তিনি উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে।

জানাগেছে, আটক ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা কবির আহমদের বিরুদ্ধে উপর উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লংলাখাল (ইসলামাবাদ) গ্রামের এক স্কুলছাত্রী কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠে। ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন- উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কবির আহমদ ও সুলতানপুর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া।কবিরকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সহযোগী যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পলাতক রয়েছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর)  দিবাগত রাত ২টার দিকে স্কুলছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে ওই দুই যুবলীগ নেতা নেশাগ্রস্ত হয়ে তরুণীকে আটকে ধরেন। তরুণীর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আত্মীয় স্বজনরা একজনকে আটক করে। এ সময় তার সাথে থাকা অপর যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পালিয়ে যান।

 

পরে উপস্থিত জনসাধারণ আটক যুবলীগ নেতা কবিরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সাথে সাথে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এস আই মহসীন এর নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

 

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য কবির আহমদ ও দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় নেশাগ্রস্ত হয়ে মাতলামি করতেন। তাদের যন্ত্ৰণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়রা কেউ ভয়ে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। যার ফলে এলাকার অনেক অসহায় এই স্কুলছাত্রীর মতো অনেক তরুণীদের সাথে এমন কাণ্ড করে আসছেন। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। নিরবে এই দুই নেতা যন্ত্রণা সহ্য করে আসছেন এলাকার অনেক ভুক্তভোগী পরিবার।

 

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ ধর্ষণের চেষ্টাকারী কবিরকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মেয়েটি রাতে বাথরুমের জন্য বাইরে হলে কবির ও তার সহযোগি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন কিবরিয়া মেয়েটিকে জোর পূর্বক একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্ট করেন।

 

মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে কবিরকে আটক করলেও অপর যুবলীগ নেতা দেলোয়ার পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কবিরকে কোর্টের মাধ্যমে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং অপর আসামি দেলোয়ারকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

গোয়াইনঘাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, যুবলীগকে ধরে পুলিশ দিল জনতা

Update Time : ০৫:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত যুবলীগ নেতার নাম কবির আহমদ (৩৮)। তিনি উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে।

জানাগেছে, আটক ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা কবির আহমদের বিরুদ্ধে উপর উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লংলাখাল (ইসলামাবাদ) গ্রামের এক স্কুলছাত্রী কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠে। ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন- উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কবির আহমদ ও সুলতানপুর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া।কবিরকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সহযোগী যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পলাতক রয়েছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর)  দিবাগত রাত ২টার দিকে স্কুলছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে ওই দুই যুবলীগ নেতা নেশাগ্রস্ত হয়ে তরুণীকে আটকে ধরেন। তরুণীর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আত্মীয় স্বজনরা একজনকে আটক করে। এ সময় তার সাথে থাকা অপর যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পালিয়ে যান।

 

পরে উপস্থিত জনসাধারণ আটক যুবলীগ নেতা কবিরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সাথে সাথে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এস আই মহসীন এর নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

 

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য কবির আহমদ ও দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় নেশাগ্রস্ত হয়ে মাতলামি করতেন। তাদের যন্ত্ৰণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়রা কেউ ভয়ে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। যার ফলে এলাকার অনেক অসহায় এই স্কুলছাত্রীর মতো অনেক তরুণীদের সাথে এমন কাণ্ড করে আসছেন। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। নিরবে এই দুই নেতা যন্ত্রণা সহ্য করে আসছেন এলাকার অনেক ভুক্তভোগী পরিবার।

 

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ ধর্ষণের চেষ্টাকারী কবিরকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মেয়েটি রাতে বাথরুমের জন্য বাইরে হলে কবির ও তার সহযোগি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন কিবরিয়া মেয়েটিকে জোর পূর্বক একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্ট করেন।

 

মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে কবিরকে আটক করলেও অপর যুবলীগ নেতা দেলোয়ার পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কবিরকে কোর্টের মাধ্যমে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং অপর আসামি দেলোয়ারকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ