গোবিন্দগঞ্জ বাজারের দোকান ভিট বন্দোবস্তের একটি আবেদন দীর্ঘদিন ধরে সার্ভেয়ারের টেবিলে
- Update Time : ০২:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ বাজারে সিংঙ্গুয়া মৌজার ১৫৬ দাগের সরকারি কিছু ভুমিতে পিতার আমল থেকেই ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করে আসছেন সিংঙ্গুয়া গ্রামের পরিমল চন্দ্র ধর। ভুমিহীন,সংখ্যালঘু পরিবারের পরেশ চন্দ্র ধরের পুত্র তিনি।
বাজারের পেরিফেরি তালিকার ৩ নং কলামে পরিমল চন্দ্র ধরের নাম উল্লেখ রয়েছে। বর্ণিত বাজার ভিট নিজ নামে বন্দোবস্ত পেতে তিনি ২০২০ সালে আবেদন করেন। কিন্তু অদ্যাবধি তাকে তার দখলীয় বাজার ভিট বন্দোবস্ত দেয়া হয় নাই।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি (পরিমল চন্দ ধর) একজন প্রতিবন্ধী লোক। বাজার ভিট বন্দোবস্ত নিতে পীরপুর ভুমি অফিস ও ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনারের অফিসে
বার-বার ধর্ণা দিয়েই যাচ্ছেন। ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (পীরপুর) কাজী রফিকুজ্জামান তার কাছে মোটা অংকের উৎকোচ দাবী করেছেন। টাকা না দিলে ফাইল জায়গা মতে পড়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন
দু কর্মকর্তা।
পরিমল চন্দ্র ধর জানান, তিনি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ তাকে শুধু-শুধুই টাকার জন্য হয়রানি করছেন কর্মকর্তারা। পীরপুর ভুমি অফিস থেকে তার পক্ষে রিপোর্ট দেয়া হলেও ফাইলটি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে সার্ভেয়ারের টেবিলে। মোটা অংকের উৎকোচ দিতে না পারায় তার বন্দোবস্ত আবেদনটি আটকে রয়েছে।
পরিমল চন্দ্র ধর আরো জানান, বন্দোবস্তের ব্যাপারে তাদের কে টাকা না দেয়ায় তারা তাকে হুমকি -ধামকি ও দিয়েছেন। এজন্য তিনি গত ১৭ জুলাই সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী বরাবরে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ ইসলাম উদ্দিন এ ব্যাপারে জানান,গোবিন্দগঞ্জ বাজার ভিটের একটি পেরিফেরি তালিকা রয়েছে। অনেকেই দোকান ভিট বন্দোবস্ত নিতে আবেদন করেছেন। ধারাবাহিক ভাবে আমরা যথারীতি তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি।
পরিমল চন্দ্র ধরের আবেদনটি তদন্তাধীন রয়েছে।



















