০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গর্ভে থাকতেই নবজাতক বিক্রি!

  • Update Time : ০৪:১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে শিশুটির নানিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুন স্বীকার করেছেন গর্ভে থাকতেই শিশুটিকে বেচে দেন তিনি। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকা থেকে চার দিন বয়সি ওই শিশুটিকে বুধবার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুন, মনোয়ারা বেগম ও মো. হারুন। তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছেন শিশুটির মা তানিয়া বেগম। পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহিদুল কবির বলেন, ২ অক্টোবর প্রসবের জন্য চমেক হাসপাতালের ৩২নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তানিয়া বেগমকে। নবজাতকের জন্মের পর মা তানিয়াই হাসপাতালে দেখাশোনা করছিলেন নবজাতকের। এর মধ্যে মঙ্গলবার হাসপাতালে নানির কাছে রেখে বাসায় যান তানিয়া। ফিরে এসে দেখেন, তার সন্তানকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কাছে অভিযোগ করার পর শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, স্বামী বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে রাবেয়ার কষ্ট হচ্ছিল। সে কারণে তিনি শিশুটি গর্ভে থাকা অবস্থায় বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। প্রসবের আগ থেকে বিভিন্ন সময়ে হারুন ও মনোয়ারার কাছ থেকে রাবেয়া ৫৭ হাজার টাকা নেন বলে ওসি জানান। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

গর্ভে থাকতেই নবজাতক বিক্রি!

Update Time : ০৪:১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে শিশুটির নানিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুন স্বীকার করেছেন গর্ভে থাকতেই শিশুটিকে বেচে দেন তিনি। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকা থেকে চার দিন বয়সি ওই শিশুটিকে বুধবার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুন, মনোয়ারা বেগম ও মো. হারুন। তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছেন শিশুটির মা তানিয়া বেগম। পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহিদুল কবির বলেন, ২ অক্টোবর প্রসবের জন্য চমেক হাসপাতালের ৩২নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তানিয়া বেগমকে। নবজাতকের জন্মের পর মা তানিয়াই হাসপাতালে দেখাশোনা করছিলেন নবজাতকের। এর মধ্যে মঙ্গলবার হাসপাতালে নানির কাছে রেখে বাসায় যান তানিয়া। ফিরে এসে দেখেন, তার সন্তানকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কাছে অভিযোগ করার পর শিশুটির নানি রাবেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, স্বামী বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে রাবেয়ার কষ্ট হচ্ছিল। সে কারণে তিনি শিশুটি গর্ভে থাকা অবস্থায় বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। প্রসবের আগ থেকে বিভিন্ন সময়ে হারুন ও মনোয়ারার কাছ থেকে রাবেয়া ৫৭ হাজার টাকা নেন বলে ওসি জানান। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ