গণটিকাদান কেন্দ্রে ইউপি চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত
- Update Time : ০৪:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ আগস্ট ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনা ভাইরাসের গণটিকা দান কর্মসূচিতে উপচেপড়া মানুষের ভিড় সামাল দিতে গিয়ে এক ইউপি চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট ইউপি কমপ্লেক্সে। ঘটনার পরপরই কেন্দ্রে হাজির হন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা তালুকদার, বাহুবল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল খয়ের, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বাবুল কুমার দাশ ও বাহুবল মডেল থানার ওসি কামরুজ্জামান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সারাদেশের ন্যায় বাহুবল উপজেলার ১নং স্নানঘাট ইউপি কমপ্লেক্সে ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের ৬শ লোককে করোনা ভাইরাসের গণটিকাদান শুরু হয় শনিবার সকাল ৯টায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে টিকা গ্রহণে আগ্রহীদের লাইন লম্বা হতে থাকে। অনেক লম্বা লাইনে বয়স্ক ও অসুস্থ লোকজন কষ্ট করে দাঁড়িয়ে আছেন দেখে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা চালান ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম। এতে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন ইউনিয়নের বাগদাইর গ্রামের বাসিন্দা মৌলদ হোসেনের পুত্র আব্দুল খালেক (৪০)। এক পর্যায়ে উভয়ের মাঝে বাকবিতন্ডার ঘটনা শুরু হয়। বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে আব্দুল খালেক ও তার সহযোগীরা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম-কে লাঞ্ছিত করে। এতে টিকাদান কেন্দ্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে কিছু সময় টিকাদান ব্যাহত হয়।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম বলেন, লম্বা লাইন থেকে অসুস্থ ও বৃদ্ধ লোকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করি। এতে বাঁধা দেয় বাগদাইর গ্রামের মৌলদ হোসেনের পুত্র আব্দুল খালেক। এক পর্যায়ে সে আমার সাথে সে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। এতে হট্টগোল সৃষ্টি হলে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
অভিযুক্ত আব্দুল আব্দুল খালেক-এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম লাইন থেকে নিজের লোকজনকে নিয়ে আগে আগে টিকাদানের ব্যবস্থা করছেন দেখে আমি প্রতিবাদ করি। এক পর্যায়ে লাইনের অন্যান্য লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করে।





























