১১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতা ছেড়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন

  • Update Time : ০২:৪৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: দেশ ও মানুষ বাঁচাতে ক্ষমতা ছেড়ে সহায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসলে বিএনপির বলার কিছুই খাকবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

তবে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রধান।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ১০ বছরে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে- মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, তাই দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি সহায়ক সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যে নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে।

সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে মনে করেন খালেদা জিয়া।

দেশের সকল মানুষকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই হাসি-খুশি। অথচ এ বছর মানুষের মনে ঈদ আনন্দ নেই, উৎসবমুখর পরিবেশ নেই। তারা অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে এই দিনটি পালন করছে। কারণ দেশের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে।

তিনি বলেন, একটি শ্রেণী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল লুটপাট আর দুর্নীতির মাধ্যমে বড়লোক হচ্ছে। গরীব লোক গরীব থেকে আরও গরীব হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নেই। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। মানুষের হাতে এখন টাকা নেই।

টাকা সব আওয়ামী লীগের লোকদের মাধ্যমে বিদেশে পাচার হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আজকে সারাদেশে রাস্তাঘাটের দুরাবস্থা। সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। হাওর অঞ্চল এবং পাহাড়ধসের দিকে এই সরকারের নজর নেই। অথচ কথায় কথায় বলে দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। সবাই ব্যস্ত টাকা লুটপাট ও দুর্নীতিতে।

গুম, খুন, হত্যা প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে- মন্তব্য করে চলতি অর্থবছরের বাজেটেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিক, বিশিষ্টজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

অনুষ্ঠানে খালেদার পাশে ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার,মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।
এছাড়া অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক সদরুল আমিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ বিএনপিপন্থি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাগপার রেহানা প্রধান, তাসমিয়া প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম এসেছিলেন শুভেচ্ছা বিনিময় করতে।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে ছিলেন শাহজাহান ওমর, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, আবদুল মান্নান, আবদুল কাইয়ুম, তৈমুর আলম খন্দকার, ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবউন নবী খান সোহেল, হারুনুর রশীদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, আমিনুল হক, ফাওয়াজ হোসেন শুভ, নাজিমউদ্দিন আলম, মীর সরফত আলী সপু।
অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, আনোয়ার হোসাইন, নুরুল ইসলাম খান নাসিম, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, কাজী আবুল বাশার, আহসানউল্লাহ হাসান, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যক্তিগত সচিব আবদুস সাত্তার,  প্রেস উইংয়ের শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর এবং ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করে মোনাজাত করেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ক্ষমতা ছেড়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন

Update Time : ০২:৪৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: দেশ ও মানুষ বাঁচাতে ক্ষমতা ছেড়ে সহায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসলে বিএনপির বলার কিছুই খাকবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

তবে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রধান।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ১০ বছরে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে- মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, তাই দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি সহায়ক সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যে নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে।

সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে মনে করেন খালেদা জিয়া।

দেশের সকল মানুষকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই হাসি-খুশি। অথচ এ বছর মানুষের মনে ঈদ আনন্দ নেই, উৎসবমুখর পরিবেশ নেই। তারা অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে এই দিনটি পালন করছে। কারণ দেশের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে।

তিনি বলেন, একটি শ্রেণী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল লুটপাট আর দুর্নীতির মাধ্যমে বড়লোক হচ্ছে। গরীব লোক গরীব থেকে আরও গরীব হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নেই। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। মানুষের হাতে এখন টাকা নেই।

টাকা সব আওয়ামী লীগের লোকদের মাধ্যমে বিদেশে পাচার হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আজকে সারাদেশে রাস্তাঘাটের দুরাবস্থা। সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। হাওর অঞ্চল এবং পাহাড়ধসের দিকে এই সরকারের নজর নেই। অথচ কথায় কথায় বলে দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। সবাই ব্যস্ত টাকা লুটপাট ও দুর্নীতিতে।

গুম, খুন, হত্যা প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে- মন্তব্য করে চলতি অর্থবছরের বাজেটেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিক, বিশিষ্টজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

অনুষ্ঠানে খালেদার পাশে ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার,মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।
এছাড়া অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক সদরুল আমিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ বিএনপিপন্থি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাগপার রেহানা প্রধান, তাসমিয়া প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম এসেছিলেন শুভেচ্ছা বিনিময় করতে।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে ছিলেন শাহজাহান ওমর, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, আবদুল মান্নান, আবদুল কাইয়ুম, তৈমুর আলম খন্দকার, ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবউন নবী খান সোহেল, হারুনুর রশীদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, আমিনুল হক, ফাওয়াজ হোসেন শুভ, নাজিমউদ্দিন আলম, মীর সরফত আলী সপু।
অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, আনোয়ার হোসাইন, নুরুল ইসলাম খান নাসিম, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, কাজী আবুল বাশার, আহসানউল্লাহ হাসান, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যক্তিগত সচিব আবদুস সাত্তার,  প্রেস উইংয়ের শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর এবং ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করে মোনাজাত করেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ