০৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুরআন কারিমের হাফেজ হলেই রমজান মাসে তারাবীহ পড়াতে হবে : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০৯:০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

তারাবীহ সুযোগ না পাওয়া কি লজ্জার ব্যাপার? তারাবিহ নামাজ পড়ানোর সুযোগ না পেলে অনেক হাফেযে কুরআনকে সারা রমজান মাস নিজ গৃহে কাটিয়ে দিতে দেখা যায়।লোক লজ্জায় মসজিদে ও যায়না। এমন সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনে অতিদ্রুত আলেম উলামা ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।নচেৎ নবপ্রজন্ম কুরআনে কারীমের হিফয থেকে বিমুখ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।(আল্লাহ হেফাজত করুন)। মাশাল্লাহ, প্রতি বছর যে হারে হাফেজে কুরআন হচ্ছেন, সে হারে তারাবীহ নামাযে হাফিজদের সুযোগ দেয়া দুস্কর।
অবশ্য তারাবীহ নামাজ কেন্দ্রিক হিফজ মজবুত রাখার একটি সুযোগ, তবে সে সুযোগ লাভে কুরআনের ইজ্জতহানি কোন ভাবেই কাম্য নয়। কিছু মসজিদে ইন্টারভিউ এর নামে শতাধিক হাফেজদের জমায়েত করে বেইজ্জতি মুলক আচরনের চিত্র ও দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত মসজিদ সংশ্লিষ্ট কারো আত্নীয় বা সম্পর্ককিত কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। এমন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তরুণ হাফেজরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

 

সামাজিক এমন অবস্থা উত্তরনে কিছু পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

# মসজিদ গুলোতে অপেক্ষাকৃত নতুন হাফেজদের সুযোগ দেয়া।মুরব্বি হাফেজ সাহেবদের উচিত ছোটদের ছাড় দেয়া।

# প্রতি মসজিদে দুজন হাফেজ নির্ধারণ না করে চারজন/পাচজন রাখার ব্যবস্থা করা

# হাফেজ হলেই তারাবিহ পড়ানো জরুরী নয়, বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা করে হাফেজদের লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করা।

# কুরআন কারীম হিফজ করা শুধু আলেম উলামার দায়িত্ব নয়, একজন দীনদার ব্যক্তি আধুনিক শিক্ষিত হয়েও কুরআনের হাফিজ হতে পারে। সরকারি দায়িত্ব পালন করেও হাফেজ হতে পারে, আরব দেশ গুলোর মত এমন মানসিকতা তৈরী করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

আল্লাহ হাফেজে কুরআনগনের মর্যাদা বাড়িয়ে দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কুরআন কারিমের হাফেজ হলেই রমজান মাসে তারাবীহ পড়াতে হবে : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০৯:০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২

তারাবীহ সুযোগ না পাওয়া কি লজ্জার ব্যাপার? তারাবিহ নামাজ পড়ানোর সুযোগ না পেলে অনেক হাফেযে কুরআনকে সারা রমজান মাস নিজ গৃহে কাটিয়ে দিতে দেখা যায়।লোক লজ্জায় মসজিদে ও যায়না। এমন সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনে অতিদ্রুত আলেম উলামা ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।নচেৎ নবপ্রজন্ম কুরআনে কারীমের হিফয থেকে বিমুখ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।(আল্লাহ হেফাজত করুন)। মাশাল্লাহ, প্রতি বছর যে হারে হাফেজে কুরআন হচ্ছেন, সে হারে তারাবীহ নামাযে হাফিজদের সুযোগ দেয়া দুস্কর।
অবশ্য তারাবীহ নামাজ কেন্দ্রিক হিফজ মজবুত রাখার একটি সুযোগ, তবে সে সুযোগ লাভে কুরআনের ইজ্জতহানি কোন ভাবেই কাম্য নয়। কিছু মসজিদে ইন্টারভিউ এর নামে শতাধিক হাফেজদের জমায়েত করে বেইজ্জতি মুলক আচরনের চিত্র ও দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত মসজিদ সংশ্লিষ্ট কারো আত্নীয় বা সম্পর্ককিত কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। এমন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তরুণ হাফেজরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

 

সামাজিক এমন অবস্থা উত্তরনে কিছু পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

# মসজিদ গুলোতে অপেক্ষাকৃত নতুন হাফেজদের সুযোগ দেয়া।মুরব্বি হাফেজ সাহেবদের উচিত ছোটদের ছাড় দেয়া।

# প্রতি মসজিদে দুজন হাফেজ নির্ধারণ না করে চারজন/পাচজন রাখার ব্যবস্থা করা

# হাফেজ হলেই তারাবিহ পড়ানো জরুরী নয়, বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা করে হাফেজদের লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করা।

# কুরআন কারীম হিফজ করা শুধু আলেম উলামার দায়িত্ব নয়, একজন দীনদার ব্যক্তি আধুনিক শিক্ষিত হয়েও কুরআনের হাফিজ হতে পারে। সরকারি দায়িত্ব পালন করেও হাফেজ হতে পারে, আরব দেশ গুলোর মত এমন মানসিকতা তৈরী করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

আল্লাহ হাফেজে কুরআনগনের মর্যাদা বাড়িয়ে দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ