১১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিতাব অধ্যয়ন করাকে যে কারণে مطالعه বলা হয় : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০৭:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ঈলমি অঙ্গনে একটি পরিচিত শব্দ কিতাব مطالعه (মুতালাআ), কওমী মাদরাসার উস্তাদগন “কিতাব পড়” না বলে “কিতাব মুতালাআ কর” নির্দেশ দিয়ে থাকেন।
শাব্দিক অর্থ পড়া, পাঠ করা হলেও শব্দটির কিছু তাত্বিক তাৎপর্য রয়েছে। মুতালাআ এর মুল طلع, অন্যতম অর্থ =সূর্য বা চন্দ্র উদয় হওয়া, শব্দটি কয়েকটি সুক্ষ বিষয়য়ের দিকে ইঙ্গিতবহ।

 

★চন্দ্র সুর্য যেভাবে পৃথিবী আলোকিত করে অধিক কিতাব অধ্যয়ন ও জীবন আলোকিত করে।

 

★চন্দ্র ও সুর্য উদয় হওয়ার সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এজন্য আল্লাহপাক সকাল সন্ধ্যায় তাসবিহ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন, এজন্যই বাদ মাগরিব ও বাদ ফজর কিতাব অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ সময়।

 

★চন্দ্র ও সুর্যের আলো যেভাবে আশরাফ- আতরাফ সবার জন্য উপকারী, কিতাব অধ্যয়ন সকল পর্যায়ের তালেবে ঈলমের জন্য উপকারী।

 

★চন্দ্র ও সুর্যের আলো আমাদের শারীরিক যে উপকার করে তা বাহ্যত বুঝা যায়না, কিতাব অধ্যয়নের উপকার ও বাহ্যত বুঝা যায়না, কিন্তু রুহের শক্তি যুগিয়ে যায়।

 

★চন্দ্রের আলো স্নিগ্ধ হলে ও সুর্যের প্রখর আলো সহ্য করা অনেক সময় কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়, ঈলিম অর্জনে ও দুর্যোগ বরদাশত করতে হয়।

 

★সুর্য ও চন্দ্রের আলো কিতাব দেখার জন্য যথেষ্ট নয়, যদি চোখের আলো না থাকে। শুধু কিতাবুল্লাহ যথেষ্ট নয় যদি রিজালুল্লাহ না
থাকে।

 

★সুর্যের আলোর অন্ধকার দূর করে,জ্ঞানের আলো জাহালাত দুর করে। থানবী রহ বলেন,মুতালায়ার মাধ্যমে মালুমাত ও মাজহুলাতের পার্থক্য করা যায়।

 

★উদ্ভিদের বেড়ে উঠাকেطلع النبات বলে, সে হিসেবে বীজ বপন করে যেভাবে আল্লাহর রহমত বৃষ্টির অপেক্ষা করতে হয়, কিতাব অধ্যয়ন করে তেমনি কিতাবের মর্মার্থ অনুধাবনে আল্লাহর রহমতের কামনা করতে হয়।

 

★পাহাড়ের উপর চড়াকে طلع الجبال বলে, নিজের মর্যাদা উচু করতে গভীর অধ্যয়ন করতে হয়। হে আল্লাহ! কুরআন ও সুন্নাহ গভীরভাবে মুতালায়ার তাওফিক দাও। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কিতাব অধ্যয়ন করাকে যে কারণে مطالعه বলা হয় : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০৭:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

ঈলমি অঙ্গনে একটি পরিচিত শব্দ কিতাব مطالعه (মুতালাআ), কওমী মাদরাসার উস্তাদগন “কিতাব পড়” না বলে “কিতাব মুতালাআ কর” নির্দেশ দিয়ে থাকেন।
শাব্দিক অর্থ পড়া, পাঠ করা হলেও শব্দটির কিছু তাত্বিক তাৎপর্য রয়েছে। মুতালাআ এর মুল طلع, অন্যতম অর্থ =সূর্য বা চন্দ্র উদয় হওয়া, শব্দটি কয়েকটি সুক্ষ বিষয়য়ের দিকে ইঙ্গিতবহ।

 

★চন্দ্র সুর্য যেভাবে পৃথিবী আলোকিত করে অধিক কিতাব অধ্যয়ন ও জীবন আলোকিত করে।

 

★চন্দ্র ও সুর্য উদয় হওয়ার সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এজন্য আল্লাহপাক সকাল সন্ধ্যায় তাসবিহ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন, এজন্যই বাদ মাগরিব ও বাদ ফজর কিতাব অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ সময়।

 

★চন্দ্র ও সুর্যের আলো যেভাবে আশরাফ- আতরাফ সবার জন্য উপকারী, কিতাব অধ্যয়ন সকল পর্যায়ের তালেবে ঈলমের জন্য উপকারী।

 

★চন্দ্র ও সুর্যের আলো আমাদের শারীরিক যে উপকার করে তা বাহ্যত বুঝা যায়না, কিতাব অধ্যয়নের উপকার ও বাহ্যত বুঝা যায়না, কিন্তু রুহের শক্তি যুগিয়ে যায়।

 

★চন্দ্রের আলো স্নিগ্ধ হলে ও সুর্যের প্রখর আলো সহ্য করা অনেক সময় কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়, ঈলিম অর্জনে ও দুর্যোগ বরদাশত করতে হয়।

 

★সুর্য ও চন্দ্রের আলো কিতাব দেখার জন্য যথেষ্ট নয়, যদি চোখের আলো না থাকে। শুধু কিতাবুল্লাহ যথেষ্ট নয় যদি রিজালুল্লাহ না
থাকে।

 

★সুর্যের আলোর অন্ধকার দূর করে,জ্ঞানের আলো জাহালাত দুর করে। থানবী রহ বলেন,মুতালায়ার মাধ্যমে মালুমাত ও মাজহুলাতের পার্থক্য করা যায়।

 

★উদ্ভিদের বেড়ে উঠাকেطلع النبات বলে, সে হিসেবে বীজ বপন করে যেভাবে আল্লাহর রহমত বৃষ্টির অপেক্ষা করতে হয়, কিতাব অধ্যয়ন করে তেমনি কিতাবের মর্মার্থ অনুধাবনে আল্লাহর রহমতের কামনা করতে হয়।

 

★পাহাড়ের উপর চড়াকে طلع الجبال বলে, নিজের মর্যাদা উচু করতে গভীর অধ্যয়ন করতে হয়। হে আল্লাহ! কুরআন ও সুন্নাহ গভীরভাবে মুতালায়ার তাওফিক দাও। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ