১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কমলগঞ্জে কেরামত হাউসের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

  • Update Time : ০৯:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের  কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কেরামত হাউসের মৃত মুজিবুর রহমান কমরু মিয়ার ছেলে জনি রহমানের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন জনি’র চাচা কমলগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নী মুহিত। ৮মার্চ বুধবার সন্ধায় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কর্মহীনদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন কাউন্সিলর।
কাউন্সিল গোলাম মুগ্নী মুহিত বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষগুলো কর্মহীন হওয়াতে পরিবারের আহার যোগাতে তারা হিমশিম খাচ্ছে, অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে জীবন যাপন করছেন। আমি আমার আত্বীয় স্বজনদের সাথে কর্মহীন অভাব গ্রস্ত মানুষের দু:খ-দুর্দশার কথা শোনালে একে একে তারা মানবিকতার কথা চিন্তা করে তাদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহীকতায় জনি রহমানের সহযোগিতায় আজকের এই দ্রব্য সামগ্রী বিতরন।
তিনি আরও বলেন, অনেকেই চক্ষু লজ্জার ভয়ে দিনের আলোয় সহযোগীতা নিতে নারাজ হন, তাই তাদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্যে রাতের আঁধারে বাড়ী বাড়ী দিয়ে খাদ্যদ্রব্য পৌছিয়ে দিচ্ছি, এবং এই ধারা করোনার প্রভাব না কাটা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কমলগঞ্জে কেরামত হাউসের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

Update Time : ০৯:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০
কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের  কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কেরামত হাউসের মৃত মুজিবুর রহমান কমরু মিয়ার ছেলে জনি রহমানের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন জনি’র চাচা কমলগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নী মুহিত। ৮মার্চ বুধবার সন্ধায় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কর্মহীনদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন কাউন্সিলর।
কাউন্সিল গোলাম মুগ্নী মুহিত বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষগুলো কর্মহীন হওয়াতে পরিবারের আহার যোগাতে তারা হিমশিম খাচ্ছে, অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে জীবন যাপন করছেন। আমি আমার আত্বীয় স্বজনদের সাথে কর্মহীন অভাব গ্রস্ত মানুষের দু:খ-দুর্দশার কথা শোনালে একে একে তারা মানবিকতার কথা চিন্তা করে তাদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহীকতায় জনি রহমানের সহযোগিতায় আজকের এই দ্রব্য সামগ্রী বিতরন।
তিনি আরও বলেন, অনেকেই চক্ষু লজ্জার ভয়ে দিনের আলোয় সহযোগীতা নিতে নারাজ হন, তাই তাদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্যে রাতের আঁধারে বাড়ী বাড়ী দিয়ে খাদ্যদ্রব্য পৌছিয়ে দিচ্ছি, এবং এই ধারা করোনার প্রভাব না কাটা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ