০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমানীনগরে ৩২টি প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ

  • Update Time : ০২:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কবির আহমদ, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে বন্যার পানিতে শ্রেণিকক্ষ তলিয়ে যাওয়ায় ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কর্মসূচী বন্ধ রাখা হয়েছে।  তার মধ্যে ২৫টি প্রাথমিক ও ৭টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বন্যার জল নেমে গেলে এসব প্রতিষ্ঠানে আবার পাঠদান শুরু হবে। জানা যায়, বন্যার কারণে রহমতপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, বেগমপুর শরৎ সুন্দরী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, এহিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, সিকন্দরপুর আবদুল হাফিজ উচ্চ বিদ্যালয়, চাতলপাড় দাখিল মাদরাসা ও খাদিমপুর নছিব উল্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া একই কারণে সৈয়দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইব্রাহিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিয়ামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্ধিখলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন কালনিচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার চক্রবর্ত্তী এবং প্রাথমিক শিক্ষাকর্মকর্তা দিপালী রায়।

 

এদিকে বুধবার কুশিয়ারা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমলেও লোকালয়ে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এতে বন্যাক্রান্ত ৫ ইউনিয়নের কয়েক সহতাধিক মানুষ রয়েছেন দুর্ভোগে। উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের কিছু মানুষ শেষ পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। অনেক এলাকা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ইতোমধ্যে ৫টি ইউনিয়নের বন্যা দুর্গোত দরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ভাবে ১৪মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

 

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, বন্যার পানি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বন্যাক্রান্তদের মধ্যে ১৪মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং আরো ৫টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ওসমানীনগরে ৩২টি প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ

Update Time : ০২:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯

কবির আহমদ, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে বন্যার পানিতে শ্রেণিকক্ষ তলিয়ে যাওয়ায় ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কর্মসূচী বন্ধ রাখা হয়েছে।  তার মধ্যে ২৫টি প্রাথমিক ও ৭টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বন্যার জল নেমে গেলে এসব প্রতিষ্ঠানে আবার পাঠদান শুরু হবে। জানা যায়, বন্যার কারণে রহমতপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, বেগমপুর শরৎ সুন্দরী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, এহিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, সিকন্দরপুর আবদুল হাফিজ উচ্চ বিদ্যালয়, চাতলপাড় দাখিল মাদরাসা ও খাদিমপুর নছিব উল্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া একই কারণে সৈয়দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইব্রাহিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিয়ামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্ধিখলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন কালনিচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার চক্রবর্ত্তী এবং প্রাথমিক শিক্ষাকর্মকর্তা দিপালী রায়।

 

এদিকে বুধবার কুশিয়ারা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমলেও লোকালয়ে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এতে বন্যাক্রান্ত ৫ ইউনিয়নের কয়েক সহতাধিক মানুষ রয়েছেন দুর্ভোগে। উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের কিছু মানুষ শেষ পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। অনেক এলাকা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ইতোমধ্যে ৫টি ইউনিয়নের বন্যা দুর্গোত দরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ভাবে ১৪মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

 

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, বন্যার পানি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বন্যাক্রান্তদের মধ্যে ১৪মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং আরো ৫টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ