ওসমানীনগরে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত
- Update Time : ০২:২৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের ওসমানীনগরে একই রাতে উপজেলা প্রশাসনের ভবনের নীচতলার ২টি দোকানসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার তাজপুর ও গোয়ালাবাজার এলাকায় এসব চুরির এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের ভবনের নীচের মার্কেটের তাসনিয়া ফটোস্ট্যাট এন্ড কম্পিউটার, একই মার্কেটের সামী এন্টারপ্রাইজ, উপজেলার তাজপুর বাজারের নাজমা কমপ্লেক্সের রকি পেট্রলিয়াম, খাজা আছাব ভান্ডারি ম্যানশনের বগুড়া দই মিষ্টি ঘর, জনকল্যাণ ঋণদান সংস্থার কার্যালয়, রাব্বি ট্রেডার্স, হোসেন কটেজ, তালের তলের সাদিয়া স্টোর, বাবলী বেগমের মুদির দোকান, কলেজগেটের আলা মিয়ার ফার্নিচারের দোকান, রংপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, ফ্যাশন পার্লার, শাকিলা উড ফার্নিচার, মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সৌরভ ভেরাইটিজ স্টোর, রাসেল অটো ইঞ্জিনিয়ারিং ও খাশিপাড়া দিঘীরপাড়ের মা ভেরাইটিজ স্টোরসহ আরও ২টি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চোরের দল বিভিন্ন দোকান থেকে নগদ টাকার পাশাপাশি মালামাল নিয়ে গেছে।
এছাড়া গোয়ালাবাজারস্থ স্কুল রোড এলাকায় একটি বাসায় টিনের চালা কেটে চোরেরা ঘরে প্রবেশ করে স্প্রের মাধ্যমে পরিবারের ঘুমন্ত লোকজনের অচেতন করে নগদ টাকাসহ মালামাল নিয়ে চলে যায়। খবর পেয়ে শনিবার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী তাজপুরস্থ বগুড়া দই মিষ্টি ঘরের মালিক জিন্নাত আলী জানান, তার দোকানের তালা ভেঙে চোরেরা প্রবেশ করে প্রায় ৬০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।
তালেরতলের সাদিয়া স্টোরের মালিক রায়হান মিয়া জানিয়েছেন, চোরেরা তার দোকানের ৪টি তালা কেটে চোরেরা কসমেটিকসের মালামাল, মোবাইল ফোনের কার্ডসহ প্রায় ১৫/১৬ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
তাজপুর বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ বলেন, ‘রাত সাড়ে ৩টার দিকে চুরির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেছি। এক সঙ্গে এত দোকানে চুরি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এ ব্যাপারে করণীয় ঠিক করতে বৈঠকে বসছি আমরা।’
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক বলেন, তাজপুর ও গোয়ালাবাজার এলাকায় নৈশপ্রহরী থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। চুরির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চোর শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চোরের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যাপারে বাজার কমিটির লোকজনসহ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।





























