এসআই আকবরকে গ্রেপ্তারের খবর সত্য নয়
- Update Time : ০৪:৫৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার দুপুরে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হয়। মানুষের মুখে মুখেও ছড়িয়ে পড়ে আকবরকে গ্রেপ্তারের গুঞ্জন। কয়েকটি টেলিভিশন চ্যনেলও এই খবরটি ব্রেকিং নিউজ করে। তবে খোঁজ নিয়ে আকবর হোসেনকে গ্রেপ্তারের খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এসআই আকবরকে গ্রেপ্তারের কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিমশনার গোলাম কিবরিয়া। রায়হান হত্যা মমলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই সিলেটের পরিদর্শক মুহিদুল ইসলামও আকবরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।
এসআই আকবর সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ (৩৪) হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত। ১২ অক্টোবর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
এরআগে মঙ্গলবার দুপুরে এই মা্মলায় বন্দর ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবল টিটু দাসকে গ্রেপ্তার করে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
টিটুকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) খালেদুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।
এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।
এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে রায়হানকে ফাঁড়িতে এনে নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।





























