০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক সেকেন্ড ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে ২০১৬!

  • Update Time : ১২:৫২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ঃ বিদায় নিচ্ছে ২০১৬। রাত ১২টার পর পুরো পৃথিবী স্বাগত জানাবে নতুন দিনকে।

তবে যাই যাই করেও যেন ২০১৬ সালটি যেতে চাচ্ছে না। তাই তাকে আরও একটি সেকেন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে বিশ্বকে।

পৃথিবীর ধীর গতির ঘূর্ণনের কারণে এ বছরের মোট সময়ের সঙ্গে ‘লিপ সেকেন্ড’ হিসেবে যোগ করা হবে এক সেকেন্ড।

নতুন দিনের শুরুর আগ মুহূর্তে মধ্যরাতে অতিরিক্ত এই সময় যোগ হবে। ঘড়িতে তখন ২৩.৫৯.৬০ সময় রেকর্ড করা হবে। এর ক্ষণকাল পর শুরু হবে নতুন বছরের নতুন দিন।

২০১৫ সালে সর্বশেষ লিপ সেকেন্ড যোগ হয়। আর এ বছরেরটা নিয়ে ২৭ বারের মতো লিপ সেকেন্ড যোগ হওয়ার ঘটনা ঘটবে।

লিপ সেকেন্ড ব্যবহারের মাধ্যমে ঘড়ির সময়কে পৃথিবীর সময়কে ছাড়িয়ে যাওয়া থেকে থামানো হয়। কারণ সময়ের এই সমন্বয় করা না হলে হয়তো এক হাজার বছর পর দেখা যাবে, সূর্যোদয়ের আগেই ঘড়িতে দুপুর ১২টা বেজে গেছে!

যুক্তরাজ্যের সময় নির্ধারণে দেশটির ন্যাশনাল ফিসিক্যাল ল্যাবরেটরি কাজ করে। আর স্থিতিশীল এবং একটানা সময় পরিমাপক হিসেবে সেখানে ব্যবহার হয় আণবিক ঘড়ি।

বিশ্বের অন্যান্য স্থানে এ ঘড়ির সার্বজনীন সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সময় প্রদর্শন করা হয়।

ন্যাশনাল ফিসিক্যাল ল্যাবরেটরির জেষ্ঠ্য গবেষক পিটার উইবারলি বলেন, পৃথিবীর ঘূর্ণনের চেয়ে আণবিক ঘড়ির মাধ্যমে সময় পরিমাপক অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

এক সেকেন্ড ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে ২০১৬!

Update Time : ১২:৫২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

 ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ঃ বিদায় নিচ্ছে ২০১৬। রাত ১২টার পর পুরো পৃথিবী স্বাগত জানাবে নতুন দিনকে।

তবে যাই যাই করেও যেন ২০১৬ সালটি যেতে চাচ্ছে না। তাই তাকে আরও একটি সেকেন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে বিশ্বকে।

পৃথিবীর ধীর গতির ঘূর্ণনের কারণে এ বছরের মোট সময়ের সঙ্গে ‘লিপ সেকেন্ড’ হিসেবে যোগ করা হবে এক সেকেন্ড।

নতুন দিনের শুরুর আগ মুহূর্তে মধ্যরাতে অতিরিক্ত এই সময় যোগ হবে। ঘড়িতে তখন ২৩.৫৯.৬০ সময় রেকর্ড করা হবে। এর ক্ষণকাল পর শুরু হবে নতুন বছরের নতুন দিন।

২০১৫ সালে সর্বশেষ লিপ সেকেন্ড যোগ হয়। আর এ বছরেরটা নিয়ে ২৭ বারের মতো লিপ সেকেন্ড যোগ হওয়ার ঘটনা ঘটবে।

লিপ সেকেন্ড ব্যবহারের মাধ্যমে ঘড়ির সময়কে পৃথিবীর সময়কে ছাড়িয়ে যাওয়া থেকে থামানো হয়। কারণ সময়ের এই সমন্বয় করা না হলে হয়তো এক হাজার বছর পর দেখা যাবে, সূর্যোদয়ের আগেই ঘড়িতে দুপুর ১২টা বেজে গেছে!

যুক্তরাজ্যের সময় নির্ধারণে দেশটির ন্যাশনাল ফিসিক্যাল ল্যাবরেটরি কাজ করে। আর স্থিতিশীল এবং একটানা সময় পরিমাপক হিসেবে সেখানে ব্যবহার হয় আণবিক ঘড়ি।

বিশ্বের অন্যান্য স্থানে এ ঘড়ির সার্বজনীন সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সময় প্রদর্শন করা হয়।

ন্যাশনাল ফিসিক্যাল ল্যাবরেটরির জেষ্ঠ্য গবেষক পিটার উইবারলি বলেন, পৃথিবীর ঘূর্ণনের চেয়ে আণবিক ঘড়ির মাধ্যমে সময় পরিমাপক অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ