০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক কালেমায় রুটি রুজি আর এক কালেমায় ফাঁসি : শামসুল ইসলাম

  • Update Time : ১২:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

পৃথিবীর দেশে দেশে এই কথাটির বাস্তবতা বিদ্যমান। এই বাস্তবতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ইসলামি ইমারাহ আফ গানি স্তান। পৃথিবীর এই দেশটিতে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হওয়ার পরও কিছু কালেমার পতাকাধারী খুশী হতে পারেনি। এই ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার পতনের চক্রান্তে তারা আমেরিকার সাথে হাত মিলিয়েছিল। তথাকথিত উত্তরাঞ্চলীয় জোটের সেই কালেমাওয়ালাদের মুখেও ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা এসব বুলি শোনা যায়। কিন্তু ২০০১ সালের আমেরিকার আগ্রাসনে তারাও উল্লসিত হয়েছিল। দখলদার আমেরিকান সৈন্যদের সাথে নির্লজ্জভাবে রাজাকারের ভূমিকা পালন করেছিল। আমেরিকানরা আবার তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
তারপরের দুই দশকে একই কালেমাধারী দুই দলের একটি দল নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়েছে, আর অপর দল সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার সহযোগিতায় ক্ষমতার স্বাদ আর ভোগ বিলাসে মেতে থেকেছে। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন তাদের ইসলামী আন্দোলনের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিত, আবার পশ্চিমা বিশ্বও তাদের সাথে মাখামাখি করতো। তাদের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনাও জানাতো। কিন্তু মাত্র দুই দশকের ব্যবধানে কালেমার জন্য জীবন সপে দেয়া মোল্লারাই বিজয়ী হলো। আর রুটি রুজিতে মত্ত কালেমাধারীদের তাদের নিয়োগকর্তা আমেরিকা ছুড়ে ফেলে গেলো। কিন্তু যারা বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছে মোল্লারা তাদেরকে যথাযথ সম্মান দিয়েছে। যারা মেনে নিতে চায় নি তাদের পালাতে বাধ্য করেছে। সদ্য প্রকাশিত আফ গান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিও দেখার পর আজ মনে হলো কালেমার জন্য যারা জীবন বাজি রেখে আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যায় তারাই বিজয়ী হয়। আর যারা কালেমার নিশান নিয়ে ফরমাবরদারী আর রুটি রুজিতে মত্ত হয়, তারা লাঞ্চিত ও অপদস্ত হয়। লেখক: হাফিজ, মাওলানা, জুড়ী, মৌলভীবাজার।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

এক কালেমায় রুটি রুজি আর এক কালেমায় ফাঁসি : শামসুল ইসলাম

Update Time : ১২:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২

পৃথিবীর দেশে দেশে এই কথাটির বাস্তবতা বিদ্যমান। এই বাস্তবতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ইসলামি ইমারাহ আফ গানি স্তান। পৃথিবীর এই দেশটিতে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হওয়ার পরও কিছু কালেমার পতাকাধারী খুশী হতে পারেনি। এই ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার পতনের চক্রান্তে তারা আমেরিকার সাথে হাত মিলিয়েছিল। তথাকথিত উত্তরাঞ্চলীয় জোটের সেই কালেমাওয়ালাদের মুখেও ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা এসব বুলি শোনা যায়। কিন্তু ২০০১ সালের আমেরিকার আগ্রাসনে তারাও উল্লসিত হয়েছিল। দখলদার আমেরিকান সৈন্যদের সাথে নির্লজ্জভাবে রাজাকারের ভূমিকা পালন করেছিল। আমেরিকানরা আবার তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
তারপরের দুই দশকে একই কালেমাধারী দুই দলের একটি দল নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়েছে, আর অপর দল সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার সহযোগিতায় ক্ষমতার স্বাদ আর ভোগ বিলাসে মেতে থেকেছে। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন তাদের ইসলামী আন্দোলনের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিত, আবার পশ্চিমা বিশ্বও তাদের সাথে মাখামাখি করতো। তাদের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনাও জানাতো। কিন্তু মাত্র দুই দশকের ব্যবধানে কালেমার জন্য জীবন সপে দেয়া মোল্লারাই বিজয়ী হলো। আর রুটি রুজিতে মত্ত কালেমাধারীদের তাদের নিয়োগকর্তা আমেরিকা ছুড়ে ফেলে গেলো। কিন্তু যারা বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছে মোল্লারা তাদেরকে যথাযথ সম্মান দিয়েছে। যারা মেনে নিতে চায় নি তাদের পালাতে বাধ্য করেছে। সদ্য প্রকাশিত আফ গান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিও দেখার পর আজ মনে হলো কালেমার জন্য যারা জীবন বাজি রেখে আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যায় তারাই বিজয়ী হয়। আর যারা কালেমার নিশান নিয়ে ফরমাবরদারী আর রুটি রুজিতে মত্ত হয়, তারা লাঞ্চিত ও অপদস্ত হয়। লেখক: হাফিজ, মাওলানা, জুড়ী, মৌলভীবাজার।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ