একটু বৃষ্টির পানিতে সিলেটের মহাসড়কে জলাবদ্ধতা-দেখার যেন কেউ নেই!
- Update Time : ০১:৫৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ থেকে :: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের অবস্থিত দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সামনের পাশে রাস্তার অর্ধেক জুড়ে অল্প বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে প্রতিনিয়ত ঘটতে পারে ছোট বড় দূর্ঘটনা। দীর্ঘদিন থেকে এসব জলাবদ্ধতার কারণে ডেঙ্গু মশার আশংকা মনে করছেন স্থানীয়রা। তাছাড়া অস্থাস্থকর পরিবেশে আশ পাশের এলাকাসহ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়াচ্ছে নানা রোগ জীবাণু। সড়কের পাশে ড্রেন স্থাপন করে মানুষকে ভোগান্তি থেকে বাঁচাতে গত তিন মাস আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগে লিখিতভাবে আবেদন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় এলাকাবাসী। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে এখনও অর্থ বরাদ্ধ না হওয়ায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিলেট- ঢাকা মহাসড়কের লালাবাজারে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ সড়কে বৃষ্টির পানিতে জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের পূর্বপাশে একটি ড্রেন থাকলেও বাজারের পাশে দিয়ে যাওয়া খাল পর্যন্ত না নেওয়ায় সেটি এখন অকার্যকর। এ পানিতে ময়লা আবর্জনায় পচে স্তুপ হয়ে ডেঙ্গু মশা, মাছি ও পোকার কারখানায় পরিণত। পানি নিষ্কাশন না হওয়ার ফলে দীর্ঘদিন জমে থাকা নোংরা পানির দুর্ঘন্ধে নাক চেপে রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে হয় হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। জনব্যস্থ এ বাজারে প্রায়ই ঘটে ছোট বড় দূর্ঘটনা। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে জরুরী ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে জলাবদ্ধতা নিরসন করতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর জোর দাবী। এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, তিন মাস আগে আবেদন পেলেও সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজের অনুমোদন পেতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। আবেদন পাওয়ার পরই আমি স্ট্যাটমেন্ট প্রস্তুত করে ঢাকায় প্রেরণ করেছি। কাজের অনুমোদনও মিলেছে। শুধু অর্থ বরাদ্ধটা বাকি। আশা করছি কিছু দিনের মধ্যে অর্থ বরাদ্ধ হয়ে যাবে। তখন দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।





























