০১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একজন লেখক : আবদুর রহমান জামী

  • Update Time : ০৪:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আমার মতো একজন নগন্য পাঠকের দৃষ্টিতে একজন ভালো লেখক-লেখিকার যে সব গুণাবলী থাকা উচিৎ কয়েকটা বিষয় বলছি।

 

(১)ভালো লেখক-লেখিকা হবেন অহংকার শুন্য।

 

(২) সত্য প্রকাশের সাহস ও দৃঢ়তা থাকবে। যদি-ও সেটা নিজেদের মানুষ বা দলের কিংবা ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে যায়।

 

(৩)লেখক হওয়ার আগে মানুষ হওয়া চাই। যেমনঃ যে লেখক মনে করেন আমি যে দলের বা ধর্মের অন্য কোনো লেখক সে দলের বা ধর্মের বিপরীত হলে সে কোনো লেখক-ই- নয় তাহলে বুঝতে হবে তার লেখক হওয়া তো দুরের কথা সে আজো মানুষ হয়ে ওঠেনি।

 

(৪) নিজেকে সব সময় ছোট করে রেখে অন্যকে বড় করে দেখা! (তবে কারো লেখার সব সময় শুধু তোষামোদী করাটাও অনুচিৎ) লেখকের সমালোচনা না করে প্রয়োজনে লেখার গঠনমুলক সমালোচনা করা। প্রকৃত সমালোচকের প্রতি সন্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা

 

(৫) লেখকের নাম দেখে নয় বরং যে কারো ভালো লেখাটিকে সব সময় মুল্যায়ন করা।

 

(৬) প্রচুর পরিমান গবেষনা-পর্যবেক্ষন,পরীক্ষণ ,অধ্যয়ন ও অধ্যবসায় থাকা।

 

(৭) ভালো লেখক-লেখিকার লেখা হবে সাধারণতঃ সহজ-সরল, প্রাঞ্জল। সর্বোপরি জীবনঘনিষ্ঠ এবং সুখপাট্য। …….. ইত্যাদি। তাদের লেখার মধ্যেই তাদের ব্যাক্তিগত অনুভূতিটা এমনভাবে উঠে আসবে যে সবাই সেই অনুভূতির তৃপ্তির স্বাদ পাবে। মনে রাখতে হবে লেখাচোরি করে কখনো লেখক হওয়া যায়না। এবং শতশত লাইক কমেন্টেও লেখক করে তুলেনা!!

 

 

লেখক: দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, মোবাঃ 01712- 531125

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

একজন লেখক : আবদুর রহমান জামী

Update Time : ০৪:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

আমার মতো একজন নগন্য পাঠকের দৃষ্টিতে একজন ভালো লেখক-লেখিকার যে সব গুণাবলী থাকা উচিৎ কয়েকটা বিষয় বলছি।

 

(১)ভালো লেখক-লেখিকা হবেন অহংকার শুন্য।

 

(২) সত্য প্রকাশের সাহস ও দৃঢ়তা থাকবে। যদি-ও সেটা নিজেদের মানুষ বা দলের কিংবা ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে যায়।

 

(৩)লেখক হওয়ার আগে মানুষ হওয়া চাই। যেমনঃ যে লেখক মনে করেন আমি যে দলের বা ধর্মের অন্য কোনো লেখক সে দলের বা ধর্মের বিপরীত হলে সে কোনো লেখক-ই- নয় তাহলে বুঝতে হবে তার লেখক হওয়া তো দুরের কথা সে আজো মানুষ হয়ে ওঠেনি।

 

(৪) নিজেকে সব সময় ছোট করে রেখে অন্যকে বড় করে দেখা! (তবে কারো লেখার সব সময় শুধু তোষামোদী করাটাও অনুচিৎ) লেখকের সমালোচনা না করে প্রয়োজনে লেখার গঠনমুলক সমালোচনা করা। প্রকৃত সমালোচকের প্রতি সন্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা

 

(৫) লেখকের নাম দেখে নয় বরং যে কারো ভালো লেখাটিকে সব সময় মুল্যায়ন করা।

 

(৬) প্রচুর পরিমান গবেষনা-পর্যবেক্ষন,পরীক্ষণ ,অধ্যয়ন ও অধ্যবসায় থাকা।

 

(৭) ভালো লেখক-লেখিকার লেখা হবে সাধারণতঃ সহজ-সরল, প্রাঞ্জল। সর্বোপরি জীবনঘনিষ্ঠ এবং সুখপাট্য। …….. ইত্যাদি। তাদের লেখার মধ্যেই তাদের ব্যাক্তিগত অনুভূতিটা এমনভাবে উঠে আসবে যে সবাই সেই অনুভূতির তৃপ্তির স্বাদ পাবে। মনে রাখতে হবে লেখাচোরি করে কখনো লেখক হওয়া যায়না। এবং শতশত লাইক কমেন্টেও লেখক করে তুলেনা!!

 

 

লেখক: দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, মোবাঃ 01712- 531125

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ