ইসির নিবন্ধন চায় ‘মুসকিল লীগ’ ‘বৈরাবরী পার্টি’সহ নতুন ৮০ দল
- Update Time : ০৩:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অক্টোবর ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: দুই দফা সময় বাড়ানোর পর অবশেষে নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হলো। নিবন্ধন পেতে মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ বাহারি নামে মোট ৮০টি আগ্রহী দল নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে। রোববার (৩০ অক্টোবর) রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন জমা নেয়ার শেষ দিন ছিল।
এদিন নাগরিক ঐক্যের নামে নিবন্ধনের আবেদন করতে কমিশনে যান দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন দলটির সদস্য সচিব নুরুল হক নুর।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২৬ মে দলগুলোর কাছে আবেদন আহ্বান করে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেয় নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে দুই দফা সময় বাড়ানো হয়।
ইসির যুগ্মসচিব এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধন নিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০টি দল নিবন্ধন চেয়ে ইসিতে আবেদন করেছে।
নতুন দল হিসেবে নিবন্ধিত হতে হলে একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং সদস্য হিসেবে অন্তত ১০০টি উপজেলা/মহানগর থানায় প্রত্যেকটিতে কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকার শর্ত পূরণ করতে হবে।
ইসি জানায়, সবশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ৭৬টি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলেও ২০১৮ সালে একটিও নিবন্ধন যোগ্য বিবেচিত হয়নি। আগ্রহী দলগুলো শর্তপূরণ করেছে বললেও যাচাই-বাছাইয়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
অবশ্য ভোটের পরে আদালতের আদেশে নিবন্ধন পেয়েছে দুটি দল। ইসি আরও জানায়, প্রতি সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন দলগুলোকে নিবন্ধন দেয়ার জন্য আবেদন আহ্বান করার বিধান আছে। সে মোতাবেক ২৬ মে দলগুলোর কাছে আবেদন আহ্বান করে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল।
২৯ আগস্ট পর্যন্ত ১০টির মতো দল আবেদনপত্র তুলেছিল। এদের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল দুটি দল। এরপরই সময় বাড়ানোর জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দাবি জানালে আরও দুই মাস মেয়াদ বাড়ায় আউয়াল কমিশন।
আলমগীর এ দিকে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, যে নামেই আসুক, শতভাগ শর্তপূরণ না হলে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন মিলবে না। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করলো কিনা সেটা দেখতে হবে। যদি একটি শর্ত অপূরণ থাকে তাহলে তাকে নিবন্ধন দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী দলগুলোর মধ্যে রয়েছে- নৈতিক সমাজ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল রিপাবলিকান পার্টি, মুসকিল লীগ, নতুন বাংলা, বঙ্গবন্ধু দুস্থ ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন (বিজিএমএ), বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক পার্টি (কেএসপি), বাংলাদেশ ইত্যাদি পার্টি, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (পিডিএ), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), বৈরাবরী পার্টি, বাংলাদেশ বিদেশ প্রত্যাগত প্রবাসী ও ননপ্রবাসী কল্যাণ দল, বাংলাদেশ জনমত পার্টি, বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ আম জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি মুভমেন্ট (বিডিএম), বাংলাদেশ তৃণমূল জনতা পার্টি (বাংলাদেশ টিজেপি), এ বি পার্টি, সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), বাংলাদেশ এলডিপি, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল গ্রীন পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক লীগ, গণ রাজনৈতিক জোট-গর্জো, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি), বাংলাদেশ হিন্দলীগ, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ও নিজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় দল, জাতীয় জনতা পার্টি, কৃষক শ্রমিক পার্টি, বাংলাদেশ তৃণমূল লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও নাকফুল বাংলাদেশ, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলনসহ আরও ৪০টি রাজনৈতিক দল।

























