আল্লামা আহমদ শফী দাঃবাঃ এর চথুর্পাশে ঘিরে বসেছে কিছু পেঁচা গাদ্দার
- Update Time : ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
কে এম তাহমীদ হাসান
ওদের মুখোশ উন্মোচন করে গণধোলাই দিয়ে উচিৎ শিক্ষা দেয়া সময়ের দাবী।
কিছুতেই আল্লামা শাহ আহমদ শফী দাঃবাঃ কে নিয়ে বিরোপ মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কারণ! উনাকে কিছু পেঁচা দালালরা ঘিরে ফেলেছে। যেমনটা করেছিলো তারা আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে।
আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ শায়খ বাবুনগরী দাঃবাঃ কে দিয়ে যেভাবে তারা জোরপূর্বক ফেসবুকে সাক্ষাতকার দিয়েছিলো। ঠিক তেমনিভাবে আল্লামা আহমদ শফী দাঃবাঃ কে দিয়েও তারা জোরপূর্বক কিছু কাজ করাতে বাধ্য করছে।
এরদ্বারা একদিকে আল্লামা আহমদ শফীকে নিয়ে দেশবাসী বিরুপ মন্তব্য করবে। অন্যদিকে সেই দালালরা সরকারের কাছে ভালোবাসার পাত্র হবে এবং আগামী সংসদে এমপির পদ পেয়ে তাদের ফায়দা হাসিল করবে।
তাই সময় থাকতে আমাদের সোচ্ছার হতে হবে। আল্লামা শাহ আহমদ শফী দাঃবাঃ কে, এবং বেফাক বোর্ড, হাইআতুল উলয়া এবং হেফাজতে ইসলামকে ওইসব পেচা গাদ্দারদের কবল থেকে রক্ষা করতেই হবে।
অতি শীঘ্রই হেফাজত, বেফাক ও হাইআতুল উলয়ার সম্মানিত আমীর, আল্লামা শাহ আহমদ শফী দাঃবাঃ এর সাথে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, আল্লামা হবিগঞ্জী, আল্লামা ইমামবাড়ী, আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী, আল্লামা জিয়া উদ্দিন, আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী, মুফতি আবুল কালাম জাকারিয়া, আল্লামা মাহমুদুল হাসান যাত্রাবাড়ী, আল্লামা আবদুর রব ইউসুফী গংদের রুদ্ধদার বৈঠকে বসে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এবং হযরতের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেই ওইসব দালালদের চিহ্নিত করতে হবে।
নতুবা বাংলাদেশের কওমী অঙ্গনে বিরাট এক কলঙ্কের অধ্যায় রচিত হতে চলছে।
























