আপনি হয়তো জানেননা? : শাহ মমশাদ আহমদ
- Update Time : ০৩:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মুহতামিম না বলে “প্রিন্সিপাল” বলা।
ওয়াজ মাহফিল/জলছা না বলে “সম্মেলন’ বলা।
ব্যানার ফেস্টুন পতাকা টানিয়ে সম্মেলনস্থল সজ্জিত করা।
বাংলা ভাষায় ‘দেয়ালিকা” বার্ষিকী প্রকাশ করা।
গোল টুপি ব্যবহার করা।
সাদা,-সেলোয়ার পাঞ্জাবি পরিধান করা।
সম্মেলনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও প্রচারে তোরণ নির্মাণ করা।
দ্বীনি দাওয়াতের স্বার্থে মাহফিলে ভিডিও করা।
পত্রিকায় সংবাদ প্রচারের জন্য ছবি তোলা।
বাংলা শুদ্ধ উচ্চারণে মাইকিং করা।
আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে উপস্থাপনা করা।
মেহমানেদের সম্মানে স্বাগত মিছিল করা।
সম্মেলনের অতিথিদের ব্যাজ পরিয়ে দেয়া।
তেজস্বী কন্ঠে শ্লোগান দেয়া।
সৃজনশীল কন্ঠে ইসলামী তারানা পরিবেশন করা।
মাদরাসার অফিস ডেকোরেশন করা।
আরবী উচ্চারণে খুতবা দেয়া।
প্রকাশনীর মোড়ক উন্মোচন করা।
অভিষেক অনুষ্ঠান করা।
জমিয়তে তালাবা না বলে “ছাত্র সংসদ” বলা।
ছাত্র নাজিম না বলে “জি,এস” বলা।
একসময় শরীয়তের মেজায পরিন্থী শুধু নয়, কোন কোন বিষয়কে শরীয়ত বহির্ভূত ফতোয়া দেয়া হয়েছিল।কওমী চেতনা বিরুধী আখ্যায়িত করা হয়েছিল। কওমীর রুহানিয়াত বিনষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ। কালক্রমে আজ এসব বিষয়গুলো সবার কাছে সমাদৃত।
আমাদের নবপ্রজন্মের অনেকের জানা নেই। এবিষয়গুলো বাস্তবায়নের কারণে যে মহান মানুষটি অপবাদ, অপপ্রচার আর চতুর্মুখী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন তিনি ছিলেন উস্তাদে মুহতারাম মুজাহিদে মিল্লাত হযরত প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান রহঃ।
জামেয়ার সম্মেলন এগিয়ে আসলেই পুরাতন ব্যাথাগুলো আবার মনে নাড়া দেয়। প্রিন্সিপাল রহ এর জীবদ্দশায় এবিষয়ে আলোচনা উঠলে হুজুর আমাদের থামিয়ে দিয়ে বলতেন, এক সময় সময়ের দাবী সকলেই বুঝবেন। হুজুরের দুরদর্শিতা আজ দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট। আল্লাহ হুজুরকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করুন।
জামেয়ার এবারকার সম্মেলন ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারী, শুক্র ও শনিবার সফল হোক। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।


























