০৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ শহীদ আরমান দিবস

  • Update Time : ০২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: আজ ৩০ জুন, শহীদ আরমান দিবস। বাংলাদেশের ঈমানদার ছাত্রসমাজের ইতিহাসে এই দিনটি একটি বেদনাময় কিন্তু গৌরবোজ্জ্বল দিন।
১৯৯৪ সালের এই দিনে, স্বাধীন বাংলার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল এক কিশোর শহীদের রক্তে—যিনি ইসলাম বিদ্বেষ, নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মদ্রোহিতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শহীদের মর্যাদা অর্জন করেন।
তিনি হলেন—শহীদ আরমান (রহঃ)।

 

শহীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় শহীদ আরমান কিশোরগঞ্জ শহরের আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বয়স মাত্র ১৪ বছর। পিতা আনোয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জ টেলিগ্রাম অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে আরমান ছিলেন সবার ছোট।
শৈশব থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি তিনি যত্নশীল ছিলেন, ছিলেন মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের, একজন আদর্শবান মুসলিম কিশোর।

 

শাহাদাতের পূর্বঘটনা ১৯৯৪ সালের ৩০ জুন ইসলাম অবমাননাকারী লেখিকা তসলিমা নাসরিন-এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। এই হরতালে অংশ নিতে ২৯ জুন আছরের নামাজ পড়ে শহীদী মসজিদের খতিব মাওলানা আনোয়ার শাহের কাছে আরমান জানতে চান— “কালকের হরতালে গেলে শহীদ হওয়া যাবে কি না?”

সেই রাতেই ফজরের নামাজের জন্য পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে দেন তিনি। সকাল ৬টায় নাস্তা করে মায়ের কাছে হরতালের মিছিলে যাবার অনুমতি চান। মা প্রথমে মানা করলেও তার আগ্রহ দেখে অনুমতি দেন।

 

শহীদ হওয়ার ঘটনা কিশোরগঞ্জ শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকায় ইমাম ও উলামা পরিষদের নেতৃত্বে মিছিল চলাকালে, বিনা উসকানিতে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন এই ১৪ বছরের কিশোর। শহীদ আরমানের এই আত্নত্যাগের মধ্যে দিয়ে ইসলামী ছাত্র মজলিস পরিগনিত হয় শহীদি কাফেলায়। “হে আল্লাহ! তুমি শহীদ আরমানকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করো, তার রক্তের বদৌলতে বাংলাদেশে একটি ইনসাফপূর্ণ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত করে দাও।”- আমীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আজ শহীদ আরমান দিবস

Update Time : ০২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: আজ ৩০ জুন, শহীদ আরমান দিবস। বাংলাদেশের ঈমানদার ছাত্রসমাজের ইতিহাসে এই দিনটি একটি বেদনাময় কিন্তু গৌরবোজ্জ্বল দিন।
১৯৯৪ সালের এই দিনে, স্বাধীন বাংলার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল এক কিশোর শহীদের রক্তে—যিনি ইসলাম বিদ্বেষ, নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মদ্রোহিতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শহীদের মর্যাদা অর্জন করেন।
তিনি হলেন—শহীদ আরমান (রহঃ)।

 

শহীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় শহীদ আরমান কিশোরগঞ্জ শহরের আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বয়স মাত্র ১৪ বছর। পিতা আনোয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জ টেলিগ্রাম অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে আরমান ছিলেন সবার ছোট।
শৈশব থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি তিনি যত্নশীল ছিলেন, ছিলেন মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের, একজন আদর্শবান মুসলিম কিশোর।

 

শাহাদাতের পূর্বঘটনা ১৯৯৪ সালের ৩০ জুন ইসলাম অবমাননাকারী লেখিকা তসলিমা নাসরিন-এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। এই হরতালে অংশ নিতে ২৯ জুন আছরের নামাজ পড়ে শহীদী মসজিদের খতিব মাওলানা আনোয়ার শাহের কাছে আরমান জানতে চান— “কালকের হরতালে গেলে শহীদ হওয়া যাবে কি না?”

সেই রাতেই ফজরের নামাজের জন্য পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে দেন তিনি। সকাল ৬টায় নাস্তা করে মায়ের কাছে হরতালের মিছিলে যাবার অনুমতি চান। মা প্রথমে মানা করলেও তার আগ্রহ দেখে অনুমতি দেন।

 

শহীদ হওয়ার ঘটনা কিশোরগঞ্জ শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকায় ইমাম ও উলামা পরিষদের নেতৃত্বে মিছিল চলাকালে, বিনা উসকানিতে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন এই ১৪ বছরের কিশোর। শহীদ আরমানের এই আত্নত্যাগের মধ্যে দিয়ে ইসলামী ছাত্র মজলিস পরিগনিত হয় শহীদি কাফেলায়। “হে আল্লাহ! তুমি শহীদ আরমানকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করো, তার রক্তের বদৌলতে বাংলাদেশে একটি ইনসাফপূর্ণ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত করে দাও।”- আমীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ