১২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী সাতদিন টর্নেডো ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

  • Update Time : ০১:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী সাতদিন বাংলাদেশে কালবৈশাখীর কারণে সৃষ্ট টর্নেডোর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা বলছেন, প্রতি বছর এপ্রিল মাসের ৫ তারিখ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত সময় টর্নেডোর জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে, দুয়েকদিন আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনা শুরু হয়। এই ধরনের টর্নেডো ঝড়ের জন্য বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ফরিদপুর ও মাদারিপুর এবং চাঁদপুর অঞ্চল।

বিদ্যুৎ চমকানো, বজ্রপাত, বজ্রসহ ভারী বর্ষণ এবং এমনকি বন্যার সময়ও এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে প্রচ- ঝড় হয় যা কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এবং ভারতের পূর্ব অংশে এ ভয়ঙ্কর ঝড় হয়ে থাকে। আর এই ঝড়ের ফলে মাঝে মাঝে সৃষ্টি হয় টর্নেডো। বিগত কয়েক বছরে কালবৈশাখীর কারণে টর্নেডোর মাত্রা বেড়েছে।

কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে সৃষ্ট টর্নেডো নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বেগম তাসলিমা ইমাম বলেন, বিগত কয়েক বছরে কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে টর্নেডো বেড়ে গেছে।

“টর্নেডো তৈরি হতে খুব কম সময় নেয় এবং এই দুর্যোগটি নিয়ে পূর্বাভাস দেয়া খুব কঠিন। তবে উন্নত দেশগুলো টর্নেডোকে ‘চেস’ করতে পারে বা ‘মনিটর’ করতে পারে। তাই আমাদেরকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। এতে করে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমানো সম্ভব।”

উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে কালবৈশাখী ঝড় এবং এ থেকে সৃষ্ট টর্নেডোর ধ্বংসাত্মক এলাকা ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে নিচের দিকে নেমে আসছে। এখন দেশের মধ্যবর্তী জেলাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আগামী সাতদিন টর্নেডো ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

Update Time : ০১:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী সাতদিন বাংলাদেশে কালবৈশাখীর কারণে সৃষ্ট টর্নেডোর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা বলছেন, প্রতি বছর এপ্রিল মাসের ৫ তারিখ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত সময় টর্নেডোর জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে, দুয়েকদিন আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনা শুরু হয়। এই ধরনের টর্নেডো ঝড়ের জন্য বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ফরিদপুর ও মাদারিপুর এবং চাঁদপুর অঞ্চল।

বিদ্যুৎ চমকানো, বজ্রপাত, বজ্রসহ ভারী বর্ষণ এবং এমনকি বন্যার সময়ও এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে প্রচ- ঝড় হয় যা কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এবং ভারতের পূর্ব অংশে এ ভয়ঙ্কর ঝড় হয়ে থাকে। আর এই ঝড়ের ফলে মাঝে মাঝে সৃষ্টি হয় টর্নেডো। বিগত কয়েক বছরে কালবৈশাখীর কারণে টর্নেডোর মাত্রা বেড়েছে।

কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে সৃষ্ট টর্নেডো নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বেগম তাসলিমা ইমাম বলেন, বিগত কয়েক বছরে কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে টর্নেডো বেড়ে গেছে।

“টর্নেডো তৈরি হতে খুব কম সময় নেয় এবং এই দুর্যোগটি নিয়ে পূর্বাভাস দেয়া খুব কঠিন। তবে উন্নত দেশগুলো টর্নেডোকে ‘চেস’ করতে পারে বা ‘মনিটর’ করতে পারে। তাই আমাদেরকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। এতে করে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমানো সম্ভব।”

উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে কালবৈশাখী ঝড় এবং এ থেকে সৃষ্ট টর্নেডোর ধ্বংসাত্মক এলাকা ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে নিচের দিকে নেমে আসছে। এখন দেশের মধ্যবর্তী জেলাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ