০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ পালন করলো সুনামগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি

  • Update Time : ১২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আল-হেলাল, সুনামগঞ্জ :: “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ বিনামূল্যে আইনি সেবার দ্বার উন্মোচন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির পক্ষ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যা লি বের হয়ে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর হাছনরাজা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে জেলা জজশীপ কার্যালয়ের সামনে শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন। সভায় আইনগত সহায়তা দিবসের বিভিন্ন দিক ও লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের অধীনে সুনামগঞ্জ বিচার বিভাগ এর গৃহিত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারী জজ সুলেখা দে। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকির হোসেন গালিব, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন কবির,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্, সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন,জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মো. আব্দুছ ছাত্তার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট তৈয়বুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল হক, সরকারী কৌশুলী এডভোকেট আখতারুজ্জামান সেলিম, প্যানেল আইনজীবী এডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়, উপকারভোগী গৌছুল আলম ও কামরুন্নাহার বেগম প্রমুখ।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,২০৪১ এর রুপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে শামিল হতে যাচ্ছে। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের সুযোগ্য নাগরিক। আমাদের বিচার ব্যবস্থাকেও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে। বিচার ব্যবস্থার যেখানে যে সমস্যা আছে তার সুষ্ঠ সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা এবং কুখ্যাত ইনডেমনিটি এ্যাক্ট প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে এদেশে ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্যই লিগ্যাল এইড কার্যক্রম তরান্বিত করেছেন। তিনি বলেন, যেদিন লিগ্যাল এইডের উপকারভোগীদের স্বতস্ফূর্ত সমাবেশ ঘটবে সেদিনই আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফল ও স্বার্থক হবে।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, বিচার পাওয়ার অধিকার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার বিচার পাবার অধিকার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা অপরিসীম। এই বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণার দরকার বলে তিনি উল্লেখ করেন। গতিশীল নেতৃত্বে এই কার্যক্রম আরো বেগবান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালে বিজ্ঞ বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ক্রমবর্ধমান হারে প্রায় ৬ লাখ মানুষ লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের অধীনে আইনগত সহায়তা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এই বিষয়ে পরিসর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে স্বপরিবারে হত্যা ও কুখ্যাত ইনডেমনিটি এ্যাক্ট প্রণয়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বলেন,সুর্প্রীমকোর্টের রায়ের মাধ্যমে আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে,এই দেশে আর কোন রকমের কালাকানুন পাশ করা যাবেনা। বাংলাদেশ এখন সকল কালাকানুনমুক্ত একটি কল্যাণ রাষ্ট্র। কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনী সহায়তা প্রদান করা বর্তমান সরকারের অন্যতম একটি অর্জন। তিনি বলেন,সুনামগঞ্জ জেলায় সকল অসচ্ছল অসহায় মানুষকে আইনী সহায়তা প্রদান,সকল বিচারপ্রার্থী জনগনকে আইনী পরামর্শ দেয়া এবং বিকল্প পন্থায় বিরোধ নিস্পত্তি এই ৩টি কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে আমরা লিগ্যাল এইড অফিস সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আজ ধর্মপাশাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একযোগে লিগ্যাল এইড দিবসটি পালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস জেলা লিগ্যাল এইড আদালতে উন্নীত হবে। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সুনামগঞ্জে নব নির্মিত সিজেএম ভবনে বৃহত্তর পরিসরে লিগ্যাল এইডের জন্য অফিস কক্ষ বরাদ্দের ঘোষণা দেন। অবশেষে তিনি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। র্যা লিতে আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারী, আইনজীবী সমিতি, আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতাকর্মীগণ, মানবাধিকার সংগঠনের কর্মী, সাংবাদিক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে একাধারে ৩ বারের নির্বাচিত জেলার শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী এডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়কে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়েছে। এর আগে দিবসটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে শহরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো ও লিফলেট বিতরন করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ পালন করলো সুনামগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি

Update Time : ১২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩

আল-হেলাল, সুনামগঞ্জ :: “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ বিনামূল্যে আইনি সেবার দ্বার উন্মোচন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির পক্ষ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যা লি বের হয়ে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর হাছনরাজা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে জেলা জজশীপ কার্যালয়ের সামনে শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন। সভায় আইনগত সহায়তা দিবসের বিভিন্ন দিক ও লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের অধীনে সুনামগঞ্জ বিচার বিভাগ এর গৃহিত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারী জজ সুলেখা দে। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকির হোসেন গালিব, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন কবির,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্, সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন,জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মো. আব্দুছ ছাত্তার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট তৈয়বুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল হক, সরকারী কৌশুলী এডভোকেট আখতারুজ্জামান সেলিম, প্যানেল আইনজীবী এডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়, উপকারভোগী গৌছুল আলম ও কামরুন্নাহার বেগম প্রমুখ।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,২০৪১ এর রুপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে শামিল হতে যাচ্ছে। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের সুযোগ্য নাগরিক। আমাদের বিচার ব্যবস্থাকেও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে। বিচার ব্যবস্থার যেখানে যে সমস্যা আছে তার সুষ্ঠ সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা এবং কুখ্যাত ইনডেমনিটি এ্যাক্ট প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে এদেশে ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্যই লিগ্যাল এইড কার্যক্রম তরান্বিত করেছেন। তিনি বলেন, যেদিন লিগ্যাল এইডের উপকারভোগীদের স্বতস্ফূর্ত সমাবেশ ঘটবে সেদিনই আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফল ও স্বার্থক হবে।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, বিচার পাওয়ার অধিকার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার বিচার পাবার অধিকার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা অপরিসীম। এই বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণার দরকার বলে তিনি উল্লেখ করেন। গতিশীল নেতৃত্বে এই কার্যক্রম আরো বেগবান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালে বিজ্ঞ বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ক্রমবর্ধমান হারে প্রায় ৬ লাখ মানুষ লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের অধীনে আইনগত সহায়তা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এই বিষয়ে পরিসর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে স্বপরিবারে হত্যা ও কুখ্যাত ইনডেমনিটি এ্যাক্ট প্রণয়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বলেন,সুর্প্রীমকোর্টের রায়ের মাধ্যমে আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে,এই দেশে আর কোন রকমের কালাকানুন পাশ করা যাবেনা। বাংলাদেশ এখন সকল কালাকানুনমুক্ত একটি কল্যাণ রাষ্ট্র। কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনী সহায়তা প্রদান করা বর্তমান সরকারের অন্যতম একটি অর্জন। তিনি বলেন,সুনামগঞ্জ জেলায় সকল অসচ্ছল অসহায় মানুষকে আইনী সহায়তা প্রদান,সকল বিচারপ্রার্থী জনগনকে আইনী পরামর্শ দেয়া এবং বিকল্প পন্থায় বিরোধ নিস্পত্তি এই ৩টি কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে আমরা লিগ্যাল এইড অফিস সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আজ ধর্মপাশাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একযোগে লিগ্যাল এইড দিবসটি পালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস জেলা লিগ্যাল এইড আদালতে উন্নীত হবে। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সুনামগঞ্জে নব নির্মিত সিজেএম ভবনে বৃহত্তর পরিসরে লিগ্যাল এইডের জন্য অফিস কক্ষ বরাদ্দের ঘোষণা দেন। অবশেষে তিনি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। র্যা লিতে আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারী, আইনজীবী সমিতি, আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতাকর্মীগণ, মানবাধিকার সংগঠনের কর্মী, সাংবাদিক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে একাধারে ৩ বারের নির্বাচিত জেলার শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী এডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়কে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়েছে। এর আগে দিবসটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে শহরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো ও লিফলেট বিতরন করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ