০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অপহৃত শিশু উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার- ৩

  • Update Time : ০২:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম আদালতে মাদক মামলার হাজিরা দিয়ে তারা শিশু অপহরণ করে নিয়ে যান হবিগঞ্জে। অপহৃত শিশুটিকে দেশ থেকে বাইরে পাচার করার পরিকল্পনাও করেছিলেন অভিযুক্তরা। তবে অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে অপহরণ হওয়া শিশুটিকে হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত থাকায় দুই নারী ও এক পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তিন আসামিকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হলে তাদেরকে কারাগারে পাঠায় বিচারক। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লক্ষ্মীপুরের মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি, কুলসুমের সহযোগী বেলাল ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের খররা নোয়াপাড়া এলাকার খোরশেদা বেগম। অপহরণের পর উদ্ধার হওয়া ১৮ মাস বয়সী ওই শিশুর নাম আরজু। সে চট্টগ্রাম নগরীর রৌফাবাদ এলাকার রাজা মিয়া কলোনির পোশাক শ্রমিক মুক্তা ও মাংস বিক্রেতা আবদুল খালেক দম্পতির ছোট ছেলে ।

 

পুলিশ জানায়, গত ১৩ এপ্রিল ছেলে আরজুকে ১২ বছর বয়সী বড় মেয়ে নাজমা আক্তারের কাছে রেখে বাবা-মা দুজনেই কাজে চলে যান। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে ১০টা ২০ মিনিটের মধ্যে নাজমা কলোনি ছাড়লে শিশু আরজুকে কৌশলে অপহরণ করে আসামিরা। বিকেলে মুক্তা ও খালেক বাসায় ফিরে সন্তানকে না পেয়ে পুলিশকে জানায়। পরে শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ হবিগঞ্জের মাধবপুরের খররা গ্রাম থেকে কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি, কুলসুমের সহযোগী বেলাল ও খোরশেদা বেগমকে গ্রেফতার করেন।

 

বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, ১৩ এপ্রিল সকাল সোয়া ১০টার দিকে শিশুটিকে অপহরণ হয়। ১৮ মাসের শিশু আরজুকে কোলে নিয়ে অপহরণ করে কৌশলে পালিয়ে যায় আসামি কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পর পুলিশ আসামি কুলসুমকে শনাক্ত করে। কিন্তু তার পুরো নাম ঠিকানা কেউ জানতো না। কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি রৌফাবাদ এলাকায় একেক সময় একেক কলোনিতে দুই, তিন মাস করে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। শিশুটিকে অপহরণের পর কুলসুম রৌফাবাদ থেকে আমিন কলোনি এলাকায় কথিত স্বামী সোহেলের সঙ্গে আত্মগোপন করেন। পরে তারা সোহেলের বাড়ি মৌলভীবাজার না গিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর খররা গ্রামের নোয়াপাড়া এলাকার আত্মগোপন করে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত শিশু ও অপহরণকারীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। আসামিদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় মামলা হয়েছে। ওসি কামরুজ্জামান জানান, তদন্তে অপহরণ করা শিশুটিকে দেশের বাইরে পাচারের চেষ্টা করার কিছু আলামত পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সোহেল মাদক মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিয়ে কলোনিতে ফিরে এসে শিশুটিকে অপহরণ করে হবিগঞ্জ চলে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

অপহৃত শিশু উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার- ৩

Update Time : ০২:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম আদালতে মাদক মামলার হাজিরা দিয়ে তারা শিশু অপহরণ করে নিয়ে যান হবিগঞ্জে। অপহৃত শিশুটিকে দেশ থেকে বাইরে পাচার করার পরিকল্পনাও করেছিলেন অভিযুক্তরা। তবে অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে অপহরণ হওয়া শিশুটিকে হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত থাকায় দুই নারী ও এক পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তিন আসামিকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হলে তাদেরকে কারাগারে পাঠায় বিচারক। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লক্ষ্মীপুরের মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি, কুলসুমের সহযোগী বেলাল ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের খররা নোয়াপাড়া এলাকার খোরশেদা বেগম। অপহরণের পর উদ্ধার হওয়া ১৮ মাস বয়সী ওই শিশুর নাম আরজু। সে চট্টগ্রাম নগরীর রৌফাবাদ এলাকার রাজা মিয়া কলোনির পোশাক শ্রমিক মুক্তা ও মাংস বিক্রেতা আবদুল খালেক দম্পতির ছোট ছেলে ।

 

পুলিশ জানায়, গত ১৩ এপ্রিল ছেলে আরজুকে ১২ বছর বয়সী বড় মেয়ে নাজমা আক্তারের কাছে রেখে বাবা-মা দুজনেই কাজে চলে যান। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে ১০টা ২০ মিনিটের মধ্যে নাজমা কলোনি ছাড়লে শিশু আরজুকে কৌশলে অপহরণ করে আসামিরা। বিকেলে মুক্তা ও খালেক বাসায় ফিরে সন্তানকে না পেয়ে পুলিশকে জানায়। পরে শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ হবিগঞ্জের মাধবপুরের খররা গ্রাম থেকে কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি, কুলসুমের সহযোগী বেলাল ও খোরশেদা বেগমকে গ্রেফতার করেন।

 

বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, ১৩ এপ্রিল সকাল সোয়া ১০টার দিকে শিশুটিকে অপহরণ হয়। ১৮ মাসের শিশু আরজুকে কোলে নিয়ে অপহরণ করে কৌশলে পালিয়ে যায় আসামি কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পর পুলিশ আসামি কুলসুমকে শনাক্ত করে। কিন্তু তার পুরো নাম ঠিকানা কেউ জানতো না। কুলসুম ওরফে কুসুম ওরফে সুমি রৌফাবাদ এলাকায় একেক সময় একেক কলোনিতে দুই, তিন মাস করে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। শিশুটিকে অপহরণের পর কুলসুম রৌফাবাদ থেকে আমিন কলোনি এলাকায় কথিত স্বামী সোহেলের সঙ্গে আত্মগোপন করেন। পরে তারা সোহেলের বাড়ি মৌলভীবাজার না গিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর খররা গ্রামের নোয়াপাড়া এলাকার আত্মগোপন করে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত শিশু ও অপহরণকারীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। আসামিদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় মামলা হয়েছে। ওসি কামরুজ্জামান জানান, তদন্তে অপহরণ করা শিশুটিকে দেশের বাইরে পাচারের চেষ্টা করার কিছু আলামত পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সোহেল মাদক মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিয়ে কলোনিতে ফিরে এসে শিশুটিকে অপহরণ করে হবিগঞ্জ চলে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ